<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>নির্বাচন ২০২৬ | khobor365</title>
	<atom:link href="https://khobor365.com/tag/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8-%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%ac/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://khobor365.com</link>
	<description>Home</description>
	<lastBuildDate>Tue, 31 Mar 2026 03:49:51 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://khobor365.com/wp-content/uploads/2025/04/cropped-Untitled-design-32x32.png</url>
	<title>নির্বাচন ২০২৬ | khobor365</title>
	<link>https://khobor365.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ: ২০২৬ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী এবং তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান ও ভবিষ্যৎ</title>
		<link>https://khobor365.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a3/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[খবর ৩৬৫ স্টাফ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 31 Mar 2026 03:49:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[২০২৬ সালের নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[গণঅভ্যুত্থান ২০২৪]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয় নাগরিক পার্টি]]></category>
		<category><![CDATA[তরুণদের রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন বাংলাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন ২০২৬]]></category>
		<category><![CDATA[বহু-দলীয় গণতন্ত্র]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনৈতিক জোট]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://khobor365.com/?p=7127</guid>

					<description><![CDATA[২০২৬ সালের নির্বাচন: রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ এবং তরুণদের অভাবনীয় উত্থান আপনি কি কখনো ভেবেছিলেন, যে তরুণেরা একদিন বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্নে রাজপথে বুক পেতে দিয়েছিল, তারাই খুব দ্রুত সরাসরি দেশের হাল ধরবে? ২০২৪ সালের সেই উত্তাল গণঅভ্যুত্থানের দিনগুলোর কথা একটু মনে করে দেখুন তো! বুকভরা আশা আর চোখে এক &#8216;নতুন বাংলাদেশ&#8217; গড়ার স্বপ্ন নিয়ে যে সংগ্রাম [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h3 data-path-to-node="4">২০২৬ সালের নির্বাচন: রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ এবং তরুণদের অভাবনীয় উত্থান</h3>
<p data-path-to-node="5">আপনি কি কখনো ভেবেছিলেন, যে তরুণেরা একদিন বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্নে রাজপথে বুক পেতে দিয়েছিল, তারাই খুব দ্রুত সরাসরি দেশের হাল ধরবে? ২০২৪ সালের সেই উত্তাল গণঅভ্যুত্থানের দিনগুলোর কথা একটু মনে করে দেখুন তো! বুকভরা আশা আর চোখে এক &#8216;নতুন বাংলাদেশ&#8217; গড়ার স্বপ্ন নিয়ে যে সংগ্রাম শুরু হয়েছিল, তার চূড়ান্ত প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি ২০২৬ সালের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।</p>
<h3 data-path-to-node="6"><b data-path-to-node="6" data-index-in-node="0">রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ:</b></h3>
<p data-path-to-node="6">দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার বাইরে গিয়ে এবার আমরা এক সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখতে পাচ্ছি। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী এই প্রথম সাধারণ নির্বাচনে দেশের <b data-path-to-node="6" data-index-in-node="196">রাজনীতিতে নতুন <a href="https://khobor365.com/রাজনীতিতে-নতুন-মেরুকরণ/">মেরুকর ণ </a></b>রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ সৃষ্টি হয়েছে, যা প্রতিটি সাধারণ মানুষের মনে নতুন করে আশার আলো জাগিয়েছে।</p>
<hr data-path-to-node="7" />
<p data-path-to-node="8">
<p data-path-to-node="9">আমরা যারা বছরের পর বছর ধরে একটি নির্দিষ্ট ছকে বাঁধা রাজনীতি দেখে বড় হয়েছি, তাদের জন্য এবারের নির্বাচনটি আক্ষরিক অর্থেই একটি শ্বাসরুদ্ধকর থ্রিলার সিনেমার মতো! দীর্ঘদিনের দ্বি-দলীয় (বিএনপি-আওয়ামী লীগ) রাজনৈতিক বলয় ভেঙে গিয়ে এবার এমন সব দল এবং জোট সামনে এসেছে, যা আগে কখনো কল্পনাও করা যায়নি। এই <a href="https://www.google.com/search?q=%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87+%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8+%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A3:+%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%AC+%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%87+%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87+%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80+%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82+%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87+%E0%A6%97%E0%A7%9C%E0%A7%87+%E0%A6%93%E0%A6%A0%E0%A6%BE+%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8+%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95+%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0+%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8+%E0%A6%93+%E0%A6%AD%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8E&amp;sca_esv=f968893c4a26525c&amp;aep=1&amp;prmd=ivns&amp;sxsrf=ANbL-n47DOV_dEVOZCKetEOVOUQQJYCK7g:1774926260529&amp;source=lnms&amp;fbs=ADc_l-aN0CWEZBOHjofHoaMMDiKpmAsnXCN5UBx17opt8eaTX831KXQgHodZqPs0p66UIH79lBZenzF0cb-RxR41vjxj9XkVwVKnbGcbxuPQ78YN4Uv_KGeMO8sh5k1z-NT_6970q_TpzsaoLZq4vUUV955BwLKT1pSLTiACMlRO01xKLgwDO49msN95NvFC5SvVBG-wTI8c&amp;sa=" target="_blank" rel="noopener"><b data-path-to-node="9" data-index-in-node="292">রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ</b> </a>নিয়ে চায়ের কাপ থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া—সব জায়গাতেই এখন তুমুল আলোচনা। চলুন, একদম সহজ ভাষায় একজন বন্ধুর মতো করে বিশ্লেষণ করি, এবারের নির্বাচনে আসলে কী ঘটতে যাচ্ছে এবং কেন এটি আপনার-আমার ভবিষ্যতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p data-path-to-node="10">একটু ভেবে দেখুন, গত এক দশক ধরে আমরা কী দেখেছি? রাজনীতি মানেই যেন ছিল নির্দিষ্ট কিছু মানুষের একচেটিয়া অধিকার। কিন্তু ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান সবকিছু উলটপালট করে দিয়েছে। সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে ১৩ থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা বুঝিয়ে দিয়েছে যে, তারা আর পুরনো সিস্টেমে বিশ্বাসী নয়। তাদের এই ক্ষোভ এবং পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষাই দেশের <b data-path-to-node="10" data-index-in-node="355">রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ</b> স্পষ্টভাবে তৈরি করেছে।</p>
<p data-path-to-node="11">এই মেরুকরণের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—এখানে শুধু আবেগ নেই, আছে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। মানুষ এখন আর শুধু প্রতিশ্রুতি শুনতে চায় না, তারা চায় একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন ব্যবস্থা। ধর্মতন্ত্র বা উগ্রবাদের চেয়ে বরং মানবিক মর্যাদা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাই এখন সাধারণ ভোটারের প্রধান চাওয়া। আর ঠিক এই পালসটাই ধরতে পেরেছে এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলো।</p>
<p data-path-to-node="12">এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় চমকগুলোর একটি হলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অভাবনীয় প্রত্যাবর্তন। একটা সময় ছিল যখন এই দলটিকে রাজনীতিতে কোণঠাসা বা নিষিদ্ধ অবস্থায় দেখা যেত। কিন্তু ২০২৬ সালের নির্বাচনে তারা এক বিশাল রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="13">নির্বাচনী ফলাফলের পূর্বাভাস এবং মাঠপর্যায়ের জনসমর্থন বলছে, সংসদ নির্বাচনে হয়তো তারা এককভাবে সরকার গঠনের মতো আসন পাচ্ছে না, কিন্তু প্রথমবারের মতো সংসদের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে তারা! এটি নিশ্চিতভাবেই <b data-path-to-node="13" data-index-in-node="222">রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ</b> এর একটি বড় প্রমাণ।</p>
<p data-path-to-node="14">এবারের নির্বাচনে জামায়াত একলা চলো নীতিতে হাঁটেনি। বরং তারা একটি শক্তিশালী ১১-দলীয় রাজনৈতিক জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে। আসন বণ্টন অনুযায়ী, জামায়াত নিজে ১৯১টি আসনে তাদের সুপরিচিত &#8216;দাঁড়িপাল্লা&#8217; প্রতীক নিয়ে লড়ছে। শুধু তাই নয়, তরুণ এবং সাধারণ ভোটারদের আকৃষ্ট করতে দলটি সম্প্রতি &#8216;পলিসি সামিট-২০২৬&#8217;-এর আয়োজন করে তাদের শাসনতান্ত্রিক রূপরেখা জাতির সামনে তুলে ধরেছে। তাদের ইশতেহারে ২৬টি অগ্রাধিকারমূলক বিষয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে দুর্নীতি দমনে জিরো টলারেন্স নীতি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং প্রতিটি নাগরিকের মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলো দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছে। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি তারা এখন সিটি করপোরেশন থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনেরও জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="15">২০২৪ সালের বিপ্লবের সবচেয়ে সুন্দর ফসল হলো তরুণদের রাজনীতিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ। যারা এতোদিন শুধু ভোটার ছিল, তারা এখন নীতিনির্ধারক হতে চাইছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) এবং এবি পার্টির মতো তরুণদের গুরুত্ব দিয়ে গঠিত নতুন দলগুলো প্রথাগত রাজনীতিতে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="16">মজার ব্যাপার হলো, এই <b data-path-to-node="16" data-index-in-node="21">রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ</b> তরুণদের জন্য এক নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। এই তরুণ দলগুলো জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের শরিক হিসেবেই নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। যেখানে এনসিপি ৩০টি এবং এবি পার্টি ২টি আসনে লড়াই করছে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নিজেও নিশ্চিত করেছেন যে, তরুণ রাজনীতিকদের একটি বড় অংশ এই নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে। তরুণ ভোটাররা এখন আর অন্ধভাবে কাউকে ভোট দেয় না। তারা পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার একটি শক্ত বিকল্প খুঁজছে, যেখানে বিভাজন নয়, বরং ঐক্যই হবে রাজনীতির মূল ভিত্তি।</p>
<p data-path-to-node="17">রাজনীতি মানেই নাটকীয়তা! আর এই নাটকীয়তার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে জোটের অভ্যন্তরীণ কিছু সমীকরণ। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের অন্যতম বড় শরীক ছিল &#8216;ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ&#8217;। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এসে তারা জোট ছেড়ে দেয় এবং সারা দেশে ২৬৮টি আসনে এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দেয়। তাদের এই সিদ্ধান্তে নির্বাচনী মাঠে হিসাব-নিকাশ বেশ কিছুটা বদলে গেছে। ফলে <b data-path-to-node="17" data-index-in-node="335">রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ</b> আরও গতি পেয়েছে এবং ভোটারদের সামনে এখন বেছে নেওয়ার মতো অনেকগুলো শক্তিশালী বিকল্প তৈরি হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="18">আমরা যদি পুরো বিষয়টি একটু দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করি, তবে বুঝতে পারব এই <b data-path-to-node="18" data-index-in-node="69">রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ</b> একটি সুদীর্ঘ দ্বি-দলীয় একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটাচ্ছে। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি—এই দুই দলের বাইরে গিয়ে মানুষ যে অন্য কাউকে ভোট দেওয়ার কথা ভাবতে পারছে, এটাই একটি বিশাল মনস্তাত্ত্বিক বিজয়।</p>
<p data-path-to-node="19">জামায়াত এবং তরুণদের দলগুলো উভয়েই একটি &#8216;নতুন বাংলাদেশ&#8217; গড়ার যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, তা সাধারণ মানুষের মনে গভীর রেখাপাত করেছে। যেখানে দলমত নির্বিশেষে দেশের স্বার্থকে সবার আগে স্থান দেওয়া হচ্ছে। বর্তমান <b data-path-to-node="19" data-index-in-node="199">রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ</b> আমাদের শেখাচ্ছে যে, রাজনীতি মানেই শুধু ক্ষমতা দখল নয়, বরং জনগণের সেবক হওয়া।</p>
<p data-path-to-node="20">সামনের দিনগুলোতে এই জোটগুলো কীভাবে দেশ পরিচালনা করে, তরুণ সংসদ সদস্যরা সংসদে দাঁড়িয়ে কীভাবে সাধারণ মানুষের অধিকারের কথা বলে—তা দেখার জন্য পুরো দেশ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। কারণ, এই নির্বাচনের মাধ্যমেই ভবিষ্যতের <b data-path-to-node="20" data-index-in-node="212">রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ</b> স্থায়ী রূপ পেতে যাচ্ছে।</p>
<hr data-path-to-node="21" />
<p data-path-to-node="22"><b data-path-to-node="22" data-index-in-node="0">আপনার মতামত আমাদের কাছে মূল্যবান!</b></p>
<p data-path-to-node="23">বন্ধুরা, ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক নির্বাচন নিয়ে আপনাদের কী ভাবনা? আপনারা কি মনে করেন তরুণদের এই অভাবনীয় উত্থান এবং নতুন রাজনৈতিক জোটগুলো সত্যিই আমাদের স্বপ্নের &#8216;নতুন বাংলাদেশ&#8217; গড়ে তুলতে পারবে? নাকি পুরনো রাজনীতির ছায়া আবারও ফিরে আসবে?</p>
<p data-path-to-node="24">আর এক মুহূর্তও দেরি করবেন না! <b data-path-to-node="24" data-index-in-node="30">নিচের কমেন্ট বক্সে এখনই আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করুন।</b> আপনার একটি মন্তব্য হয়তো আরও দশজন মানুষকে সচেতনভাবে চিন্তা করতে সাহায্য করবে। আর হ্যাঁ, দেশের এই যুগান্তকারী পরিবর্তন সম্পর্কে আপনার বন্ধু ও পরিবারকে জানাতে আর্টিকেলটি এখনই আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় <b data-path-to-node="24" data-index-in-node="281">শেয়ার করুন</b>। মনে রাখবেন, একটি সুন্দর দেশ গড়ার দায়িত্ব শুধু রাজনীতিবিদদের নয়, আপনার-আমার সবার! সঠিক তথ্য জানুন, সচেতন হোন এবং আগামী নির্বাচনে আপনার মহামূল্যবান ভোটটি যোগ্য প্রার্থীকেই দিন। আসুন, সবাই মিলে গড়ে তুলি আমাদের স্বপ্নের বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ!</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়: ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং নতুন &#8216;জুলাই চার্টার&#8217; (July Charter)</title>
		<link>https://khobor365.com/%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%82%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[খবর ৩৬৫ স্টাফ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 03:56:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[অন্তর্বর্তীকালীন সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি সংস্কার]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই গণঅভ্যুত্থান]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই স্মৃতি জাদুঘর]]></category>
		<category><![CDATA[ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন বাংলাদেশ।]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন ২০২৬]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ ব্যাংক]]></category>
		<category><![CDATA[মব ভায়োলেন্স]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনার বিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://khobor365.com/?p=7113</guid>

					<description><![CDATA[অবিশ্বাস্য অর্জন ও আবেগঘন মুহূর্ত! যুগান্তকারী ১৮ মাস পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় আপনার কি এখনো মনে আছে ২০২৪ সালের সেই উত্তাল আগস্টের দিনগুলোর কথা? যখন স্বৈরাচারের গুলিতে রাজপথ ভেসে যাচ্ছিল আমাদের ভাই-বোনদের তাজা রক্তে? সেই ধ্বংসস্তূপ আর চরম অরাজকতার মাঝে এক বুক আশা নিয়ে দেশের হাল ধরেছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h3 data-path-to-node="6">অবিশ্বাস্য অর্জন ও আবেগঘন মুহূর্ত! যুগান্তকারী ১৮ মাস পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</h3>
<p data-path-to-node="7">আপনার কি এখনো মনে আছে ২০২৪ সালের সেই উত্তাল আগস্টের দিনগুলোর কথা? যখন স্বৈরাচারের গুলিতে রাজপথ ভেসে যাচ্ছিল আমাদের ভাই-বোনদের তাজা রক্তে? সেই ধ্বংসস্তূপ আর চরম অরাজকতার মাঝে এক বুক আশা নিয়ে দেশের হাল ধরেছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ ১৮ মাস পর, ২০২৬ সালের এই ফেব্রুয়ারিতে এসে দেশের চিত্র কতটা বদলেছে? ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক দুয়ারে দাঁড়িয়ে যখন আমরা<a href="https://khobor365.com/ড-মুহাম্মদ-ইউনূসের-বিদায/"> <b data-path-to-node="7" data-index-in-node="390">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> </a>নিয়ে কথা বলছি, তখন আমাদের মনে একইসাথে কাজ করছে প্রাপ্তির আনন্দ এবং কিছু না-পাওয়ার হতাশা। চলুন, একেবারে বন্ধুর মতো খোলাখুলি আলোচনা করি কেমন কাটলো আমাদের গত দেড়টি বছর।</p>
<p data-path-to-node="8">দায়িত্ব নেয়ার প্রথম দিনগুলোতে দেশের অবস্থা একবার কল্পনা করুন! রাস্তায় কোনো ট্রাফিক পুলিশ নেই, থানাগুলো পুড়ে ছাই, আর ব্যাংকগুলোতে তীব্র তারল্য সংকট। ঠিক সেই সময়টায় একটি ধসে পড়া রাষ্ট্রযন্ত্রকে সচল করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না। সেনাবাহিনী ও পুনর্গঠিত পুলিশ বাহিনীর সহায়তায় সরকার দ্রুতই জনজীবনে এক ধরনের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনে।</p>
<p data-path-to-node="9">সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। আর সেই প্রত্যাশার চাপ মাথায় নিয়েই শুরু হয় রাষ্ট্র সংস্কারের মহাযজ্ঞ। নির্বাচন কমিশন, পুলিশ, জনপ্রশাসন এবং বিচার বিভাগকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে গঠিত হয় ১০টি বড় সংস্কার কমিশন। এই কমিশনগুলোর মূল লক্ষ্যই ছিল, ভবিষ্যতে যাতে দেশে আর কোনো স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। <a href="https://www.google.com/search?q=%E0%A6%A1.+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6+%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F%3A&amp;sca_esv=bcbbf092352eb713&amp;biw=2133&amp;bih=1058&amp;sxsrf=ANbL-n5u0kt4jZOxbm-YnZWn8dxrWiqQ7g%3A1774668650626&amp;ei=akvHadv4JZyu4-EP076M2QM&amp;ved=0ahUKEwjb1Y7008GTAxUc1zgGHVMfIzsQ4dUDCBE&amp;oq=%E0%A6%A1.+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6+%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F%3A&amp;gs_lp=" target="_blank" rel="noopener"><b data-path-to-node="9" data-index-in-node="318">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b></a> বেলা ঘনিয়ে আসতেই আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই কমিশনগুলোর প্রস্তাবনাগুলোই আগামী দিনের &#8220;নতুন বাংলাদেশ&#8221; গড়ার মূল ভিত্তি হতে যাচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="10">সবচেয়ে বড় ম্যাজিকটা কিন্তু ঘটেছে আমাদের অর্থনীতিতে! অনেকেই ভাবছেন <b data-path-to-node="10" data-index-in-node="68">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> এর পর অর্থনীতির এই চাকা এমন সচল থাকবে তো? এই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাতকে আইসিইউ থেকে ফিরিয়ে আনা। দুর্বল ও লুটের শিকার ৫টি ব্যাংককে সবল ব্যাংকের সাথে একীভূত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="11">বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের কথা মনে আছে? ২০২৪ সালের আগস্টে যা নেমেছিল ১৩-১৪ বিলিয়ন ডলারে, ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী তা আজ ৩৪.০৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে! রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রতি মাসে আড়াই থেকে তিন বিলিয়ন ডলারে স্থির হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এডিবি থেকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা আনা সম্ভব হয়েছে। এটা কি চাট্টিখানি কথা!</p>
<p data-path-to-node="12">যে শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই সরকার, তাদের কি ভুলে যাওয়া সম্ভব? কখনোই না। <b data-path-to-node="12" data-index-in-node="80">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> লগ্নে এসে এই বিচার প্রক্রিয়া আমাদের দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) এক যুগান্তকারী রায়ে জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।</p>
<p data-path-to-node="13">শুধু তাই নয়, ‘আয়নাঘর’-এর মতো ভয়ংকর গোপন বন্দিশালার সাথে জড়িত শীর্ষ পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আইনের আওতা আনা হয়েছে। শহীদ ও আহতদের পরিবারের সহায়তার জন্য গঠিত হয়েছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। ইতোমধ্যে ২৭০০-এর বেশি পরিবারকে ৫৩ কোটি টাকার বেশি আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। আর সবচেয়ে আবেগঘন ব্যাপার হলো, স্বৈরাচারের প্রতীক &#8216;গণভবন&#8217; আজ পরিণত হয়েছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’-এ। গত ১৬ বছরের গুম, খুন আর দুর্নীতির ইতিহাস সেখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে আগামী প্রজন্মের জন্য।</p>
<p data-path-to-node="14">সব কি শুধুই অর্জনের গল্প? না, কিছু চরম আক্ষেপের জায়গাও রয়েছে। ব্যর্থতার এই দিকগুলো <b data-path-to-node="14" data-index-in-node="85">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> মুহূর্তে একটি বড় আক্ষেপ হয়ে থাকবে। বিগত দেড় বছরে সরকার সবচেয়ে বেশি হিমশিম খেয়েছে &#8216;মব ভায়োলেন্স&#8217; বা বিচারবহির্ভূত গণপিটুনি দমনে।</p>
<p data-path-to-node="15">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা, জাহাঙ্গীরনগরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে হত্যা, কিংবা চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাগুলো আমাদের বিবেকে চরম আঘাত করেছে। মানবাধিকার সংস্থার মতে, এই ১৮ মাসে মব জাস্টিসে অন্তত ২৯৩ জন মানুষের প্রাণ গেছে।</p>
<p data-path-to-node="16">এছাড়া দেশের বিভিন্ন মাজার ও দরগাহে উগ্রবাদীদের হামলা ছিল চোখে পড়ার মতো। সিরাজগঞ্জে এক পীরের লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয়ার মতো বীভৎস ঘটনাও ঘটেছে। এর পাশাপাশি প্রায় ২ হাজারেরও বেশি সড়ক অবরোধের ঘটনা সাধারণ মানুষের জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। পুলিশ বাহিনীর ধীরগতির পুনর্গঠনই মূলত এই অরাজকতার বড় কারণ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।</p>
<p data-path-to-node="17">একটি গণতান্ত্রিক দেশের প্রাণ হলো স্বাধীন গণমাধ্যম। এই সরকার বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করে সাংবাদিকদের হয়রানিমূলক মামলার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। ইন্টারনেটকে এখন ‘মৌলিক অধিকার’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="18">শিক্ষা খাতেও এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বিতর্কিত &#8216;নতুন শিক্ষাক্রম ২০২৩&#8217; বাতিল করে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হয়েছে। &#8216;সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ&#8217;-এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বায়ত্তশাসন এবং একক ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="19">পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও এসেছে এক দারুণ ভারসাম্য। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ৬০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি থেকে শুরু করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তা—সবখানেই ছিল সফলতার ছাপ। জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে ড. ইউনূস স্পষ্ট জানিয়েছেন, &#8220;বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব এখন আর দাতা-গ্রহীতার নয়, বরং তা হবে সমমর্যাদার।&#8221;</p>
<p data-path-to-node="20">আমরা এখন দাঁড়িয়ে আছি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো বহু কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সবার মনে একটাই চাওয়া—<b data-path-to-node="20" data-index-in-node="149">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> যেন নিছক একটি ক্ষমতার পালাবদল না হয়, বরং এটি যেন হয় একটি সুশৃঙ্খল ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্থায়ী সূচনা।</p>
<p data-path-to-node="21">ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ‘জুলাই সনদ’ আজ আমাদের একটি সামাজিক চুক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই ১৮ মাসে সরকার আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে ধ্বংসস্তূপ থেকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। কীভাবে রিজার্ভ বাড়াতে হয়, কীভাবে বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হয়।</p>
<p data-path-to-node="22">সত্যিই, <b data-path-to-node="22" data-index-in-node="8">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> আমাদের জন্য একটি মিশ্র অনুভূতির মুহূর্ত। একদিকে একজন বিশ্ববরেণ্য নেতার প্রশাসনিক অধ্যায়ের সমাপ্তি, অন্যদিকে জনগণের নির্বাচিত নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের রোমাঞ্চ। আগামী দিনগুলোতে যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, এই দেড় বছরের সংস্কার কাজগুলো যদি তারা ধরে রাখতে পারে, তবে আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ সত্যিই একদিন পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।</p>
<hr data-path-to-node="23" />
<p data-path-to-node="24"><b data-path-to-node="24" data-index-in-node="0">এখন আপনার করণীয় কী?</b></p>
<p data-path-to-node="25">এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে আপনার সচেতনতাই সবচেয়ে বেশি জরুরি। <b data-path-to-node="25" data-index-in-node="58">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> লগ্নে আপনার মূল্যায়ন কী? এই ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোন কাজটি আপনার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে এবং কোন ব্যর্থতাটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে?</p>
<p data-path-to-node="26">১. নিচে কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন। ২. নতুন সরকারের কাছে আপনার ৩টি প্রধান চাওয়া কী কী তা আমাদের জানান। ৩. দেশের এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের গল্পগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আজকের এই আর্টিকেলটি এখনই আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন!</p>
<p data-path-to-node="27"><b data-path-to-node="27" data-index-in-node="0">আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রায় সামিল হই!</b></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
