<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>নতুন বাংলাদেশ। | khobor365</title>
	<atom:link href="https://khobor365.com/tag/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a5%a4/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://khobor365.com</link>
	<description>Home</description>
	<lastBuildDate>Sun, 29 Mar 2026 03:52:45 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://khobor365.com/wp-content/uploads/2025/04/cropped-Untitled-design-32x32.png</url>
	<title>নতুন বাংলাদেশ। | khobor365</title>
	<link>https://khobor365.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: শপথ গ্রহণের পর নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলো কী কী?</title>
		<link>https://khobor365.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ae%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[খবর ৩৬৫ স্টাফ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 29 Mar 2026 03:52:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[১১তম প্রধানমন্ত্রী]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি পুনরুদ্ধার]]></category>
		<category><![CDATA[আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন]]></category>
		<category><![CDATA[তারেক রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন বাংলাদেশ।]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ রাজনীতি ২০২৬]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[সুশাসন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://khobor365.com/?p=7116</guid>

					<description><![CDATA[ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই: বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সামনে যত চ্যালেঞ্জ! দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরেছে বিএনপি। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শপথ নেওয়ার পর, বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সামনে এখন অর্থনীতি, আইন-শৃঙ্খলা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ। সাধারণ মানুষের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা পূরণে নতুন সরকার কতটা সফল হবে, তা নিয়েই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h1 data-path-to-node="5">ধ্বংসস্তূপ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই: বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সামনে যত চ্যালেঞ্জ!</h1>
<p data-path-to-node="6">দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরেছে বিএনপি। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শপথ নেওয়ার পর, <a href="https://khobor365.com/বাংলাদেশের-১১তম-প্রধানমন/">বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান</a> এর সামনে এখন অর্থনীতি, আইন-শৃঙ্খলা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ। সাধারণ মানুষের আকাশচুম্বী প্রত্যাশা পূরণে নতুন সরকার কতটা সফল হবে, তা নিয়েই আমাদের আজকের এই আয়োজন।</p>
<h2 data-path-to-node="6">বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান</h2>
<p data-path-to-node="7">দীর্ঘ দিনের দমবন্ধ করা পরিস্থিতি, বাজারে আগুন, আর রাস্তায় বেরোলে অজানা আতঙ্ক—এই সবকিছু থেকে কি আমরা সত্যিই মুক্তি পেতে যাচ্ছি? আপনিও কি ভাবছেন যে এবার অন্তত দেশের পরিস্থিতি বদলাবে? দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর বিএনপি আবার ক্ষমতায়। নতুন সরকার নিয়ে সবার মনেই এখন নতুন আশা। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে যখন বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শপথ গ্রহণ করলেন, তখন পুরো দেশের মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন ছিল—এবার কি আমরা আমাদের স্বপ্নের, নিরাপদ ও বৈষম্যহীন একটি বাংলাদেশ ফিরে পাব? আসুন, একজন সাধারণ নাগরিকের দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করে দেখি, নতুন এই সরকারের সামনে কী কী বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে এবং আমাদের জীবনযাত্রায় এর কী প্রভাব পড়তে পারে।</p>
<p data-path-to-node="8">সিন্ডিকেট ভেঙে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসাটা এখন <a href="https://www.google.com/search?sca_esv=4b6756fe69c99ed1&amp;sxsrf=ANbL-n4prKdo-OSKrkbtQw8oJmELUCYJGQ:1774754028234&amp;q=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A7%A7%E0%A7%A7%E0%A6%A4%E0%A6%AE+%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80+%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95+%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8:+%E0%A6%B6%E0%A6%AA%E0%A6%A5+%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%AA%E0%A6%B0+%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8+%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%87+%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87+%E0%A6%AC%E0%A7%9C+%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8B+%E0%A6%95%E0%A7%80+%E0%A6%95%E0%A7%80%3F&amp;source=" target="_blank" rel="noopener">বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান</a> এর জন্য একটি বাস্তব &#8216;এসিড টেস্ট&#8217;। এই অর্থনৈতিক ধস সামলে দেশকে স্থিতিশীল করতে না পারলে মানুষের হতাশা ক্ষোভে পরিণত হতে খুব বেশি সময় লাগবে না। ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরিয়ে আনা এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা তরুণ প্রজন্মের কাছে সবচেয়ে বড় চাওয়া।</p>
<p data-path-to-node="9">পুলিশ যেন কোনো দলের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে কাজ না করে, বরং জনগণের সেবক হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এটি শুধু মুখের কথায় হবে না, বাস্তবে প্রমাণ করতে হবে। পুরো দেশের মানুষ এখন তাকিয়ে আছে বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর দিকে, তিনি কীভাবে এই কঠিন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করেন এবং সুশাসন নিশ্চিত করেন, তা দেখার জন্য।</p>
<p data-path-to-node="10">যে কেউ যেন ভয়হীনভাবে তার নিজস্ব মত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পারে, সেই গ্যারান্টি রাষ্ট্রকে দিতে হবে। গুম, খুন বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো কালো আইনের জুজুর ভয় যেন আর কাউকে তাড়া না করে, তা নিশ্চিত করা বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। এখন সেই প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালনের পালা।</p>
<p data-path-to-node="11">সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন আকাশচুম্বী। তারা সত্যিকারের পরিবর্তন চায়, একটি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ চায় এবং সবার জন্য আইনের সমান প্রয়োগ চায়। বিএনপি দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরে নতুন সরকার হিসেবে—অর্থনৈতিক সংস্কার, দুর্নীতি দমন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কতটা কার্যকর ও যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারেন, সেটাই এখন দেখার বিষয়।</p>
<p data-path-to-node="12"><b data-path-to-node="12" data-index-in-node="0">আপনার মতামত আমাদের জানান!</b> বন্ধুরা, আপনারা কী ভাবছেন? নতুন সরকারের কাছে আপনার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা কী? আপনি কি মনে করেন সরকার সবার আগে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে নাকি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় জোর দেওয়া উচিত? চুপ করে থাকবেন না! দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এখনই আপনার মূল্যবান মতামত নিচের <b data-path-to-node="12" data-index-in-node="287">কমেন্ট বক্সে লিখে জানান</b> এবং আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলটি আপনার বন্ধুদের সাথে <b data-path-to-node="12" data-index-in-node="368">ফেসবুকে শেয়ার করুন</b>, যাতে তারাও দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন হতে পারে। আসুন, সবাই মিলে একটি সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি!</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়: ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং নতুন &#8216;জুলাই চার্টার&#8217; (July Charter)</title>
		<link>https://khobor365.com/%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%82%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[খবর ৩৬৫ স্টাফ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 03:56:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[অন্তর্বর্তীকালীন সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি সংস্কার]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই গণঅভ্যুত্থান]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই স্মৃতি জাদুঘর]]></category>
		<category><![CDATA[ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন বাংলাদেশ।]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন ২০২৬]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ ব্যাংক]]></category>
		<category><![CDATA[মব ভায়োলেন্স]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনার বিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://khobor365.com/?p=7113</guid>

					<description><![CDATA[অবিশ্বাস্য অর্জন ও আবেগঘন মুহূর্ত! যুগান্তকারী ১৮ মাস পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় আপনার কি এখনো মনে আছে ২০২৪ সালের সেই উত্তাল আগস্টের দিনগুলোর কথা? যখন স্বৈরাচারের গুলিতে রাজপথ ভেসে যাচ্ছিল আমাদের ভাই-বোনদের তাজা রক্তে? সেই ধ্বংসস্তূপ আর চরম অরাজকতার মাঝে এক বুক আশা নিয়ে দেশের হাল ধরেছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h3 data-path-to-node="6">অবিশ্বাস্য অর্জন ও আবেগঘন মুহূর্ত! যুগান্তকারী ১৮ মাস পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</h3>
<p data-path-to-node="7">আপনার কি এখনো মনে আছে ২০২৪ সালের সেই উত্তাল আগস্টের দিনগুলোর কথা? যখন স্বৈরাচারের গুলিতে রাজপথ ভেসে যাচ্ছিল আমাদের ভাই-বোনদের তাজা রক্তে? সেই ধ্বংসস্তূপ আর চরম অরাজকতার মাঝে এক বুক আশা নিয়ে দেশের হাল ধরেছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ ১৮ মাস পর, ২০২৬ সালের এই ফেব্রুয়ারিতে এসে দেশের চিত্র কতটা বদলেছে? ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক দুয়ারে দাঁড়িয়ে যখন আমরা<a href="https://khobor365.com/ড-মুহাম্মদ-ইউনূসের-বিদায/"> <b data-path-to-node="7" data-index-in-node="390">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> </a>নিয়ে কথা বলছি, তখন আমাদের মনে একইসাথে কাজ করছে প্রাপ্তির আনন্দ এবং কিছু না-পাওয়ার হতাশা। চলুন, একেবারে বন্ধুর মতো খোলাখুলি আলোচনা করি কেমন কাটলো আমাদের গত দেড়টি বছর।</p>
<p data-path-to-node="8">দায়িত্ব নেয়ার প্রথম দিনগুলোতে দেশের অবস্থা একবার কল্পনা করুন! রাস্তায় কোনো ট্রাফিক পুলিশ নেই, থানাগুলো পুড়ে ছাই, আর ব্যাংকগুলোতে তীব্র তারল্য সংকট। ঠিক সেই সময়টায় একটি ধসে পড়া রাষ্ট্রযন্ত্রকে সচল করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না। সেনাবাহিনী ও পুনর্গঠিত পুলিশ বাহিনীর সহায়তায় সরকার দ্রুতই জনজীবনে এক ধরনের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনে।</p>
<p data-path-to-node="9">সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। আর সেই প্রত্যাশার চাপ মাথায় নিয়েই শুরু হয় রাষ্ট্র সংস্কারের মহাযজ্ঞ। নির্বাচন কমিশন, পুলিশ, জনপ্রশাসন এবং বিচার বিভাগকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে গঠিত হয় ১০টি বড় সংস্কার কমিশন। এই কমিশনগুলোর মূল লক্ষ্যই ছিল, ভবিষ্যতে যাতে দেশে আর কোনো স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। <a href="https://www.google.com/search?q=%E0%A6%A1.+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6+%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F%3A&amp;sca_esv=bcbbf092352eb713&amp;biw=2133&amp;bih=1058&amp;sxsrf=ANbL-n5u0kt4jZOxbm-YnZWn8dxrWiqQ7g%3A1774668650626&amp;ei=akvHadv4JZyu4-EP076M2QM&amp;ved=0ahUKEwjb1Y7008GTAxUc1zgGHVMfIzsQ4dUDCBE&amp;oq=%E0%A6%A1.+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6+%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F%3A&amp;gs_lp=" target="_blank" rel="noopener"><b data-path-to-node="9" data-index-in-node="318">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b></a> বেলা ঘনিয়ে আসতেই আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই কমিশনগুলোর প্রস্তাবনাগুলোই আগামী দিনের &#8220;নতুন বাংলাদেশ&#8221; গড়ার মূল ভিত্তি হতে যাচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="10">সবচেয়ে বড় ম্যাজিকটা কিন্তু ঘটেছে আমাদের অর্থনীতিতে! অনেকেই ভাবছেন <b data-path-to-node="10" data-index-in-node="68">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> এর পর অর্থনীতির এই চাকা এমন সচল থাকবে তো? এই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাতকে আইসিইউ থেকে ফিরিয়ে আনা। দুর্বল ও লুটের শিকার ৫টি ব্যাংককে সবল ব্যাংকের সাথে একীভূত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="11">বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের কথা মনে আছে? ২০২৪ সালের আগস্টে যা নেমেছিল ১৩-১৪ বিলিয়ন ডলারে, ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী তা আজ ৩৪.০৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে! রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রতি মাসে আড়াই থেকে তিন বিলিয়ন ডলারে স্থির হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এডিবি থেকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা আনা সম্ভব হয়েছে। এটা কি চাট্টিখানি কথা!</p>
<p data-path-to-node="12">যে শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই সরকার, তাদের কি ভুলে যাওয়া সম্ভব? কখনোই না। <b data-path-to-node="12" data-index-in-node="80">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> লগ্নে এসে এই বিচার প্রক্রিয়া আমাদের দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) এক যুগান্তকারী রায়ে জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।</p>
<p data-path-to-node="13">শুধু তাই নয়, ‘আয়নাঘর’-এর মতো ভয়ংকর গোপন বন্দিশালার সাথে জড়িত শীর্ষ পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আইনের আওতা আনা হয়েছে। শহীদ ও আহতদের পরিবারের সহায়তার জন্য গঠিত হয়েছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। ইতোমধ্যে ২৭০০-এর বেশি পরিবারকে ৫৩ কোটি টাকার বেশি আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। আর সবচেয়ে আবেগঘন ব্যাপার হলো, স্বৈরাচারের প্রতীক &#8216;গণভবন&#8217; আজ পরিণত হয়েছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’-এ। গত ১৬ বছরের গুম, খুন আর দুর্নীতির ইতিহাস সেখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে আগামী প্রজন্মের জন্য।</p>
<p data-path-to-node="14">সব কি শুধুই অর্জনের গল্প? না, কিছু চরম আক্ষেপের জায়গাও রয়েছে। ব্যর্থতার এই দিকগুলো <b data-path-to-node="14" data-index-in-node="85">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> মুহূর্তে একটি বড় আক্ষেপ হয়ে থাকবে। বিগত দেড় বছরে সরকার সবচেয়ে বেশি হিমশিম খেয়েছে &#8216;মব ভায়োলেন্স&#8217; বা বিচারবহির্ভূত গণপিটুনি দমনে।</p>
<p data-path-to-node="15">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা, জাহাঙ্গীরনগরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে হত্যা, কিংবা চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাগুলো আমাদের বিবেকে চরম আঘাত করেছে। মানবাধিকার সংস্থার মতে, এই ১৮ মাসে মব জাস্টিসে অন্তত ২৯৩ জন মানুষের প্রাণ গেছে।</p>
<p data-path-to-node="16">এছাড়া দেশের বিভিন্ন মাজার ও দরগাহে উগ্রবাদীদের হামলা ছিল চোখে পড়ার মতো। সিরাজগঞ্জে এক পীরের লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয়ার মতো বীভৎস ঘটনাও ঘটেছে। এর পাশাপাশি প্রায় ২ হাজারেরও বেশি সড়ক অবরোধের ঘটনা সাধারণ মানুষের জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। পুলিশ বাহিনীর ধীরগতির পুনর্গঠনই মূলত এই অরাজকতার বড় কারণ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।</p>
<p data-path-to-node="17">একটি গণতান্ত্রিক দেশের প্রাণ হলো স্বাধীন গণমাধ্যম। এই সরকার বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করে সাংবাদিকদের হয়রানিমূলক মামলার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। ইন্টারনেটকে এখন ‘মৌলিক অধিকার’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="18">শিক্ষা খাতেও এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বিতর্কিত &#8216;নতুন শিক্ষাক্রম ২০২৩&#8217; বাতিল করে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হয়েছে। &#8216;সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ&#8217;-এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বায়ত্তশাসন এবং একক ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="19">পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও এসেছে এক দারুণ ভারসাম্য। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ৬০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি থেকে শুরু করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তা—সবখানেই ছিল সফলতার ছাপ। জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে ড. ইউনূস স্পষ্ট জানিয়েছেন, &#8220;বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব এখন আর দাতা-গ্রহীতার নয়, বরং তা হবে সমমর্যাদার।&#8221;</p>
<p data-path-to-node="20">আমরা এখন দাঁড়িয়ে আছি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো বহু কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সবার মনে একটাই চাওয়া—<b data-path-to-node="20" data-index-in-node="149">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> যেন নিছক একটি ক্ষমতার পালাবদল না হয়, বরং এটি যেন হয় একটি সুশৃঙ্খল ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্থায়ী সূচনা।</p>
<p data-path-to-node="21">ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ‘জুলাই সনদ’ আজ আমাদের একটি সামাজিক চুক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই ১৮ মাসে সরকার আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে ধ্বংসস্তূপ থেকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। কীভাবে রিজার্ভ বাড়াতে হয়, কীভাবে বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হয়।</p>
<p data-path-to-node="22">সত্যিই, <b data-path-to-node="22" data-index-in-node="8">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> আমাদের জন্য একটি মিশ্র অনুভূতির মুহূর্ত। একদিকে একজন বিশ্ববরেণ্য নেতার প্রশাসনিক অধ্যায়ের সমাপ্তি, অন্যদিকে জনগণের নির্বাচিত নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের রোমাঞ্চ। আগামী দিনগুলোতে যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, এই দেড় বছরের সংস্কার কাজগুলো যদি তারা ধরে রাখতে পারে, তবে আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ সত্যিই একদিন পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।</p>
<hr data-path-to-node="23" />
<p data-path-to-node="24"><b data-path-to-node="24" data-index-in-node="0">এখন আপনার করণীয় কী?</b></p>
<p data-path-to-node="25">এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে আপনার সচেতনতাই সবচেয়ে বেশি জরুরি। <b data-path-to-node="25" data-index-in-node="58">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> লগ্নে আপনার মূল্যায়ন কী? এই ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোন কাজটি আপনার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে এবং কোন ব্যর্থতাটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে?</p>
<p data-path-to-node="26">১. নিচে কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন। ২. নতুন সরকারের কাছে আপনার ৩টি প্রধান চাওয়া কী কী তা আমাদের জানান। ৩. দেশের এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের গল্পগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আজকের এই আর্টিকেলটি এখনই আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন!</p>
<p data-path-to-node="27"><b data-path-to-node="27" data-index-in-node="0">আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রায় সামিল হই!</b></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
