<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অন্তর্বর্তীকালীন সরকার | khobor365</title>
	<atom:link href="https://khobor365.com/tag/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://khobor365.com</link>
	<description>Home</description>
	<lastBuildDate>Sun, 29 Mar 2026 02:56:33 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.4</generator>

<image>
	<url>https://khobor365.com/wp-content/uploads/2025/04/cropped-Untitled-design-32x32.png</url>
	<title>অন্তর্বর্তীকালীন সরকার | khobor365</title>
	<link>https://khobor365.com</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়: ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাফল্য, চ্যালেঞ্জ এবং নতুন &#8216;জুলাই চার্টার&#8217; (July Charter)</title>
		<link>https://khobor365.com/%e0%a6%a1-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%a6-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%82%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[খবর ৩৬৫ স্টাফ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 28 Mar 2026 03:56:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[অন্তর্বর্তীকালীন সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি সংস্কার]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই গণঅভ্যুত্থান]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই স্মৃতি জাদুঘর]]></category>
		<category><![CDATA[ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন বাংলাদেশ।]]></category>
		<category><![CDATA[নির্বাচন ২০২৬]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ ব্যাংক]]></category>
		<category><![CDATA[মব ভায়োলেন্স]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনার বিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://khobor365.com/?p=7113</guid>

					<description><![CDATA[অবিশ্বাস্য অর্জন ও আবেগঘন মুহূর্ত! যুগান্তকারী ১৮ মাস পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় আপনার কি এখনো মনে আছে ২০২৪ সালের সেই উত্তাল আগস্টের দিনগুলোর কথা? যখন স্বৈরাচারের গুলিতে রাজপথ ভেসে যাচ্ছিল আমাদের ভাই-বোনদের তাজা রক্তে? সেই ধ্বংসস্তূপ আর চরম অরাজকতার মাঝে এক বুক আশা নিয়ে দেশের হাল ধরেছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h3 data-path-to-node="6">অবিশ্বাস্য অর্জন ও আবেগঘন মুহূর্ত! যুগান্তকারী ১৮ মাস পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</h3>
<p data-path-to-node="7">আপনার কি এখনো মনে আছে ২০২৪ সালের সেই উত্তাল আগস্টের দিনগুলোর কথা? যখন স্বৈরাচারের গুলিতে রাজপথ ভেসে যাচ্ছিল আমাদের ভাই-বোনদের তাজা রক্তে? সেই ধ্বংসস্তূপ আর চরম অরাজকতার মাঝে এক বুক আশা নিয়ে দেশের হাল ধরেছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ ১৮ মাস পর, ২০২৬ সালের এই ফেব্রুয়ারিতে এসে দেশের চিত্র কতটা বদলেছে? ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক দুয়ারে দাঁড়িয়ে যখন আমরা<a href="https://khobor365.com/ড-মুহাম্মদ-ইউনূসের-বিদায/"> <b data-path-to-node="7" data-index-in-node="390">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> </a>নিয়ে কথা বলছি, তখন আমাদের মনে একইসাথে কাজ করছে প্রাপ্তির আনন্দ এবং কিছু না-পাওয়ার হতাশা। চলুন, একেবারে বন্ধুর মতো খোলাখুলি আলোচনা করি কেমন কাটলো আমাদের গত দেড়টি বছর।</p>
<p data-path-to-node="8">দায়িত্ব নেয়ার প্রথম দিনগুলোতে দেশের অবস্থা একবার কল্পনা করুন! রাস্তায় কোনো ট্রাফিক পুলিশ নেই, থানাগুলো পুড়ে ছাই, আর ব্যাংকগুলোতে তীব্র তারল্য সংকট। ঠিক সেই সময়টায় একটি ধসে পড়া রাষ্ট্রযন্ত্রকে সচল করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না। সেনাবাহিনী ও পুনর্গঠিত পুলিশ বাহিনীর সহায়তায় সরকার দ্রুতই জনজীবনে এক ধরনের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনে।</p>
<p data-path-to-node="9">সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। আর সেই প্রত্যাশার চাপ মাথায় নিয়েই শুরু হয় রাষ্ট্র সংস্কারের মহাযজ্ঞ। নির্বাচন কমিশন, পুলিশ, জনপ্রশাসন এবং বিচার বিভাগকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে গঠিত হয় ১০টি বড় সংস্কার কমিশন। এই কমিশনগুলোর মূল লক্ষ্যই ছিল, ভবিষ্যতে যাতে দেশে আর কোনো স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। <a href="https://www.google.com/search?q=%E0%A6%A1.+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6+%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F%3A&amp;sca_esv=bcbbf092352eb713&amp;biw=2133&amp;bih=1058&amp;sxsrf=ANbL-n5u0kt4jZOxbm-YnZWn8dxrWiqQ7g%3A1774668650626&amp;ei=akvHadv4JZyu4-EP076M2QM&amp;ved=0ahUKEwjb1Y7008GTAxUc1zgGHVMfIzsQ4dUDCBE&amp;oq=%E0%A6%A1.+%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6+%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A7%9F%3A&amp;gs_lp=" target="_blank" rel="noopener"><b data-path-to-node="9" data-index-in-node="318">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b></a> বেলা ঘনিয়ে আসতেই আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই কমিশনগুলোর প্রস্তাবনাগুলোই আগামী দিনের &#8220;নতুন বাংলাদেশ&#8221; গড়ার মূল ভিত্তি হতে যাচ্ছে।</p>
<p data-path-to-node="10">সবচেয়ে বড় ম্যাজিকটা কিন্তু ঘটেছে আমাদের অর্থনীতিতে! অনেকেই ভাবছেন <b data-path-to-node="10" data-index-in-node="68">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> এর পর অর্থনীতির এই চাকা এমন সচল থাকবে তো? এই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাতকে আইসিইউ থেকে ফিরিয়ে আনা। দুর্বল ও লুটের শিকার ৫টি ব্যাংককে সবল ব্যাংকের সাথে একীভূত করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="11">বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের কথা মনে আছে? ২০২৪ সালের আগস্টে যা নেমেছিল ১৩-১৪ বিলিয়ন ডলারে, ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী তা আজ ৩৪.০৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে! রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রতি মাসে আড়াই থেকে তিন বিলিয়ন ডলারে স্থির হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এডিবি থেকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা আনা সম্ভব হয়েছে। এটা কি চাট্টিখানি কথা!</p>
<p data-path-to-node="12">যে শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই সরকার, তাদের কি ভুলে যাওয়া সম্ভব? কখনোই না। <b data-path-to-node="12" data-index-in-node="80">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> লগ্নে এসে এই বিচার প্রক্রিয়া আমাদের দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) এক যুগান্তকারী রায়ে জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।</p>
<p data-path-to-node="13">শুধু তাই নয়, ‘আয়নাঘর’-এর মতো ভয়ংকর গোপন বন্দিশালার সাথে জড়িত শীর্ষ পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আইনের আওতা আনা হয়েছে। শহীদ ও আহতদের পরিবারের সহায়তার জন্য গঠিত হয়েছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। ইতোমধ্যে ২৭০০-এর বেশি পরিবারকে ৫৩ কোটি টাকার বেশি আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। আর সবচেয়ে আবেগঘন ব্যাপার হলো, স্বৈরাচারের প্রতীক &#8216;গণভবন&#8217; আজ পরিণত হয়েছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’-এ। গত ১৬ বছরের গুম, খুন আর দুর্নীতির ইতিহাস সেখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে আগামী প্রজন্মের জন্য।</p>
<p data-path-to-node="14">সব কি শুধুই অর্জনের গল্প? না, কিছু চরম আক্ষেপের জায়গাও রয়েছে। ব্যর্থতার এই দিকগুলো <b data-path-to-node="14" data-index-in-node="85">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> মুহূর্তে একটি বড় আক্ষেপ হয়ে থাকবে। বিগত দেড় বছরে সরকার সবচেয়ে বেশি হিমশিম খেয়েছে &#8216;মব ভায়োলেন্স&#8217; বা বিচারবহির্ভূত গণপিটুনি দমনে।</p>
<p data-path-to-node="15">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা, জাহাঙ্গীরনগরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে হত্যা, কিংবা চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাগুলো আমাদের বিবেকে চরম আঘাত করেছে। মানবাধিকার সংস্থার মতে, এই ১৮ মাসে মব জাস্টিসে অন্তত ২৯৩ জন মানুষের প্রাণ গেছে।</p>
<p data-path-to-node="16">এছাড়া দেশের বিভিন্ন মাজার ও দরগাহে উগ্রবাদীদের হামলা ছিল চোখে পড়ার মতো। সিরাজগঞ্জে এক পীরের লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয়ার মতো বীভৎস ঘটনাও ঘটেছে। এর পাশাপাশি প্রায় ২ হাজারেরও বেশি সড়ক অবরোধের ঘটনা সাধারণ মানুষের জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। পুলিশ বাহিনীর ধীরগতির পুনর্গঠনই মূলত এই অরাজকতার বড় কারণ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।</p>
<p data-path-to-node="17">একটি গণতান্ত্রিক দেশের প্রাণ হলো স্বাধীন গণমাধ্যম। এই সরকার বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করে সাংবাদিকদের হয়রানিমূলক মামলার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। ইন্টারনেটকে এখন ‘মৌলিক অধিকার’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="18">শিক্ষা খাতেও এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বিতর্কিত &#8216;নতুন শিক্ষাক্রম ২০২৩&#8217; বাতিল করে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হয়েছে। &#8216;সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ&#8217;-এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বায়ত্তশাসন এবং একক ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।</p>
<p data-path-to-node="19">পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও এসেছে এক দারুণ ভারসাম্য। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ৬০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি থেকে শুরু করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তা—সবখানেই ছিল সফলতার ছাপ। জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে ড. ইউনূস স্পষ্ট জানিয়েছেন, &#8220;বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব এখন আর দাতা-গ্রহীতার নয়, বরং তা হবে সমমর্যাদার।&#8221;</p>
<p data-path-to-node="20">আমরা এখন দাঁড়িয়ে আছি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো বহু কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সবার মনে একটাই চাওয়া—<b data-path-to-node="20" data-index-in-node="149">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> যেন নিছক একটি ক্ষমতার পালাবদল না হয়, বরং এটি যেন হয় একটি সুশৃঙ্খল ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্থায়ী সূচনা।</p>
<p data-path-to-node="21">ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ‘জুলাই সনদ’ আজ আমাদের একটি সামাজিক চুক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই ১৮ মাসে সরকার আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে ধ্বংসস্তূপ থেকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। কীভাবে রিজার্ভ বাড়াতে হয়, কীভাবে বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হয়।</p>
<p data-path-to-node="22">সত্যিই, <b data-path-to-node="22" data-index-in-node="8">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> আমাদের জন্য একটি মিশ্র অনুভূতির মুহূর্ত। একদিকে একজন বিশ্ববরেণ্য নেতার প্রশাসনিক অধ্যায়ের সমাপ্তি, অন্যদিকে জনগণের নির্বাচিত নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের রোমাঞ্চ। আগামী দিনগুলোতে যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, এই দেড় বছরের সংস্কার কাজগুলো যদি তারা ধরে রাখতে পারে, তবে আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ সত্যিই একদিন পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।</p>
<hr data-path-to-node="23" />
<p data-path-to-node="24"><b data-path-to-node="24" data-index-in-node="0">এখন আপনার করণীয় কী?</b></p>
<p data-path-to-node="25">এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে আপনার সচেতনতাই সবচেয়ে বেশি জরুরি। <b data-path-to-node="25" data-index-in-node="58">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়</b> লগ্নে আপনার মূল্যায়ন কী? এই ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোন কাজটি আপনার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে এবং কোন ব্যর্থতাটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে?</p>
<p data-path-to-node="26">১. নিচে কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন। ২. নতুন সরকারের কাছে আপনার ৩টি প্রধান চাওয়া কী কী তা আমাদের জানান। ৩. দেশের এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের গল্পগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আজকের এই আর্টিকেলটি এখনই আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন!</p>
<p data-path-to-node="27"><b data-path-to-node="27" data-index-in-node="0">আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রায় সামিল হই!</b></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>২০২৬ জাতীয় নির্বাচন: দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির বিপুল বিজয় ও সরকার গঠন</title>
		<link>https://khobor365.com/%e0%a7%a8%e0%a7%a6%e0%a7%a8%e0%a7%ac-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[খবর ৩৬৫ স্টাফ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 17 Mar 2026 02:55:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[২০২৬ জাতীয় নির্বাচন]]></category>
		<category><![CDATA[অন্তর্বর্তীকালীন সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব]]></category>
		<category><![CDATA[জুলাই গণঅভ্যুত্থান]]></category>
		<category><![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[বিএনপি]]></category>
		<category><![CDATA[ভোটব্যাংক]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনৈতিক জোট]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://khobor365.com/?p=7108</guid>

					<description><![CDATA[২০২৬ জাতীয় নির্বাচন: নতুন বাংলাদেশের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের বিস্তারিত আপনারা কি কখনো ভেবেছিলেন যে নিজের চোখের সামনে এক অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে যেতে দেখবেন? ২০২৪ সালের সেই উত্তাল আগস্টের পর থেকে এদেশের মানুষ যে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটের অপেক্ষায় ছিল, তার চূড়ান্ত প্রতিফলন আমরা দেখলাম ১২ ফেব্রুয়ারি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অনুষ্ঠিত হওয়া ২০২৬ জাতীয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h2 data-path-to-node="5">২০২৬ জাতীয় নির্বাচন: নতুন বাংলাদেশের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের বিস্তারিত</h2>
<p data-path-to-node="6">আপনারা কি কখনো ভেবেছিলেন যে নিজের চোখের সামনে এক অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে যেতে দেখবেন? ২০২৪ সালের সেই উত্তাল আগস্টের পর থেকে এদেশের মানুষ যে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটের অপেক্ষায় ছিল, তার চূড়ান্ত প্রতিফলন আমরা দেখলাম ১২ ফেব্রুয়ারি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অনুষ্ঠিত হওয়া <a href="https://khobor365.com/২০২৬-জাতীয়-নির্বাচন/ ‎"><b data-path-to-node="6" data-index-in-node="274">২০২৬ জাতীয় নির্বাচন</b> </a>কেবল একটি ভোট ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির নতুন করে জেগে ওঠার গল্প।</p>
<h2 data-path-to-node="5">২০২৬ জাতীয় নির্বাচন</h2>
<p data-path-to-node="6">২০২৪ সালের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৬ জাতীয় নির্বাচন। এই ঐতিহাসিক নির্বাচনের রোমাঞ্চকর ফলাফল, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং আগামী দিনের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা থাকছে এই আর্টিকেলে।</p>
<p data-path-to-node="7">ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনটি এদেশের ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের একচ্ছত্র শাসনের পতনের পর কীভাবে দেশ একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে ফিরলো এবং নির্বাচনের ফলাফল কী হলো—চলুন আজ আমরা সেই রোমাঞ্চকর ইতিহাসের সাক্ষী হই।</p>
<p data-path-to-node="8">ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার এক অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। মানুষের মনে তখন একটাই প্রশ্ন ছিল—পরবর্তী নির্বাচন কবে?</p>
<p data-path-to-node="9">গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তিতে অর্থাৎ ৫ আগস্ট ২০২৫ তারিখে প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা দেন যে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর নির্বাচন কমিশন ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে তফসিল ঘোষণা করে, যেখানে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-কে <a href="https://www.google.com/search?sca_esv=2249988ea6ef4f61&amp;sxsrf=ANbL-n7eqhZnxoy9CGirg-lSZgDc9Jamqg:1773712641792&amp;q=%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%AC+%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F+%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8&amp;source=" target="_blank" rel="noopener"><b data-path-to-node="9" data-index-in-node="238">২০২৬ জাতীয় নির্বাচন</b></a> এর তারিখ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। এই দীর্ঘ সময়ের সংস্কার প্রক্রিয়া শেষে একটি স্বচ্ছ ভোটের অপেক্ষায় ছিল পুরো দেশ।</p>
<p data-path-to-node="10">ভোটের দিন সকাল থেকেই সারা দেশে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ফলাফল ঘোষণার পর দেখা যায়, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন <b data-path-to-node="10" data-index-in-node="104">বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)</b> নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। তারা সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ আসন লাভ করে এক বিশাল সাফল্য পায়। অন্যদিকে, <b data-path-to-node="10" data-index-in-node="251">বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী</b> দ্বিতীয় সর্বাধিক আসন লাভ করে দেশের রাজনীতিতে নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দেয়।</p>
<p data-path-to-node="11">মজার ব্যাপার হলো, বিগত চারটি নির্বাচনে টানা বিজয়ী হওয়া আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। জুলাই-আগস্টের গণহত্যার দায়ে তাদের কার্যক্রম তখন নিষিদ্ধ ছিল। ফলে <b data-path-to-node="11" data-index-in-node="167">২০২৬ জাতীয় নির্বাচন</b> ছিল আওয়ামী লীগ বিহীন এক নতুন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্র, যেখানে ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের পছন্দের প্রতিনিধি বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।</p>
<p data-path-to-node="12">এই নির্বাচনের প্রচারণা ছিল অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে ভিন্ন। রাজপথে রাজনৈতিক দলগুলোর মুখে আমরা নতুন সব ইস্যু শুনতে পেয়েছি। চলুন জেনে নিই সেই সময়ের প্রধান ইস্যুগুলো:</p>
<ul data-path-to-node="13">
<li>
<p data-path-to-node="13,0,0"><b data-path-to-node="13,0,0" data-index-in-node="0">বেকারত্ব দূরীকরণ:</b> দেশের যুবসমাজের বড় একটি অংশ বেকারত্বের অভিশাপে ভুগছিল। নির্বাচনে বিএনপি ১ কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণদের মন জয় করে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="13,1,0"><b data-path-to-node="13,1,0" data-index-in-node="0">দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি দমন:</b> জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সময়ে দেশের দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রচারণায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার করে।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="13,2,0"><b data-path-to-node="13,2,0" data-index-in-node="0">আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR):</b> জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রথাগত ভোট পদ্ধতির বদলে ‘সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনি ব্যবস্থা’র দাবি তুলেছিল, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।</p>
</li>
<li>
<p data-path-to-node="13,3,0"><b data-path-to-node="13,3,0" data-index-in-node="0">সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক:</b> আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু ভোটারদের আকৃষ্ট করতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল এবং নিরাপত্তা সেল গঠনের প্রতিশ্রুতি দেয়।</p>
</li>
</ul>
<p data-path-to-node="14">২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ফসল হিসেবে রাজনীতিতে এক নতুন জোয়ার নিয়ে আসে <b data-path-to-node="14" data-index-in-node="70">জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)</b>। তারা &#8220;নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার&#8221; প্রকাশ করে যেখানে নতুন সংবিধান, র‍্যাব ভেঙে দেওয়া, এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়। যদিও তারা প্রধান দলগুলোর মতো বেশি আসন পায়নি, তবে তরুণ প্রজন্মের মাঝে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ছিল দেখার মতো। এই নতুন শক্তিগুলো <b data-path-to-node="14" data-index-in-node="350">২০২৬ জাতীয় নির্বাচন</b>-কে কেবল একটি দ্বিদলীয় লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ না রেখে বহুমাত্রিক রূপ দিয়েছিল।</p>
<p data-path-to-node="15">আমরা যখন <b data-path-to-node="15" data-index-in-node="9">২০২৬ জাতীয় নির্বাচন</b> এর সাফল্য নিয়ে কথা বলি, তখন আমাদের ভুলে গেলে চলবে না সেই সব শহীদের কথা, যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা এই ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছি। আবু সাঈদ, মুগ্ধদের সেই আত্মত্যাগই আজ আমাদের স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ করে দিয়েছে। নতুন সরকারের সামনে এখন পাহাড়সমান চ্যালেঞ্জ—অর্থনৈতিক সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা।</p>
<p data-path-to-node="16">এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে যে, এদেশের মানুষ আর কোনো স্বৈরাচারকে গ্রহণ করবে না। জনগণের শক্তির কাছে যে কোনো অপশক্তি পরাজিত হতে বাধ্য। ২০২৬ সালের এই ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের ইতিহাসে গণতন্ত্রের এক উজ্জ্বল মশাল হয়ে থাকবে।</p>
<hr data-path-to-node="17" />
<p data-path-to-node="18"><b data-path-to-node="18" data-index-in-node="0">এখন আপনার পালা!</b></p>
<p data-path-to-node="19">প্রিয় পাঠক, ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আপনার ব্যক্তিগত মতামত কী? নতুন সরকারের কাছে আপনার সবচেয়ে বড় চাওয়া কী—বেকারত্ব দূর করা নাকি দুর্নীতি দমন? আপনার ভাবনা আমাদের কমেন্টে জানান!</p>
<p data-path-to-node="20"><b data-path-to-node="20" data-index-in-node="0">আর হ্যাঁ, নতুন বাংলাদেশের রাজনীতি ও </b></p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শেখ হাসিনা সরকারের পতন: টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসানের পেছনে সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ কতটা দায়ী ছিল?</title>
		<link>https://khobor365.com/%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%96-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%9f%e0%a6%be/</link>
		
		<dc:creator><![CDATA[খবর ৩৬৫ স্টাফ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 15 Mar 2026 02:29:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান]]></category>
		<category><![CDATA[hasina indian]]></category>
		<category><![CDATA[where is sheikh hasina now in india]]></category>
		<category><![CDATA[অন্তর্বর্তীকালীন সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[কোটা সংস্কার আন্দোলন।]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা এখন কোথায় আছে]]></category>
		<category><![CDATA[শেখ হাসিনা সরকারের পতন]]></category>
		<category><![CDATA[হাসিনা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://khobor365.com/?p=7100</guid>

					<description><![CDATA[বিশ্বাস্য ইতিহাস: ছাত্র-জনতার তোপের মুখে কীভাবে ঘটলো শেখ হাসিনা সরকারের পতন? আপনারা কি কখনো ভেবেছিলেন যে নিজের চোখের সামনে এত বড় একটি ইতিহাস তৈরি হতে দেখবেন? একটি সাধারণ সকাল কীভাবে একটি দেশের পুরো রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে পারে, তা কি কেউ কল্পনা করতে পেরেছিল? ৫ আগস্ট, ২০২৪—এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন একটি দিন হিসেবে খোদাই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<h3 data-path-to-node="5">বিশ্বাস্য ইতিহাস: ছাত্র-জনতার তোপের মুখে কীভাবে ঘটলো শেখ হাসিনা সরকারের পতন?</h3>
<p data-path-to-node="6">আপনারা কি কখনো ভেবেছিলেন যে নিজের চোখের সামনে এত বড় একটি ইতিহাস তৈরি হতে দেখবেন? একটি সাধারণ সকাল কীভাবে একটি দেশের পুরো রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে পারে, তা কি কেউ কল্পনা করতে পেরেছিল? ৫ আগস্ট, ২০২৪—এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন একটি দিন হিসেবে খোদাই হয়ে থাকবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অবাক হয়ে গল্পের মতো শুনবে।</p>
<p data-path-to-node="7">দীর্ঘ ১৫ বছরের একটানা শাসনের পর অবশেষে অবিশ্বাস্যভাবে <a href="https://khobor365.com/শেখ-হাসিনা-সরকারের-পতন-টা/"><b data-path-to-node="7" data-index-in-node="54">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b></a> কীভাবে ঘটলো, তা নিয়ে আমাদের আজকের এই বিস্তারিত আয়োজন। এত শক্তিশালী একটি শাসনব্যবস্থা কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়লো? চলুন, একদম শুরু থেকে এই মহাকাব্যিক যাত্রার প্রতিটি মুহূর্তের সাক্ষী হই।</p>
<p data-path-to-node="8">ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদ শুরু হয়েছিল ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন। সেবার তার দল আওয়ামী লীগ সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই মেয়াদকাল ২০০১ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এরপর ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে এক বিশাল জয়ের পর তিনি ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসেন।</p>
<p data-path-to-node="9">এরপর থেকে শুরু হয় এক টানা শাসন। ২০১৪, ২০১৮ এবং সবশেষ ২০২৪ সালে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন। কিন্তু এই নির্বাচনগুলো কি সাধারণ মানুষের কাছে আদৌ গ্রহণযোগ্য ছিল? একদমই নয়। এই নির্বাচনগুলো স্বচ্ছতার চরম অভাবের জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছিল। বিরোধী দলগুলো এগুলোকে বারবার বয়কট করেছিল এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরাও ভোট কারচুপি ও ভোটার দমনের গুরুতর অভিযোগ এনেছিল। এমনকি তার সরকারের বিরুদ্ধে দেশের বিচার বিভাগ এবং বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের মতো মারাত্মক অভিযোগও আনা হয়েছিল। মানুষের মনে বছরের পর বছর ধরে জমতে থাকা এই ক্ষোভ একদিন যে আগ্নেয়গিরির মতো বিস্ফোরিত হয়ে <b data-path-to-node="9" data-index-in-node="556">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b> ডেকে আনবে, তা হয়তো ক্ষমতাসীনেরা আঁচ করতে পারেননি।</p>
<p data-path-to-node="10">২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে এসে সরকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণের কারণে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে পড়ে যায়। আর এই জাতীয় অসন্তোষের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় &#8216;কোটা সংস্কার আন্দোলন&#8217;। ছাত্র এবং নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে আসে রাজনৈতিক সংস্কার এবং দেশের কোটা ব্যবস্থার প্রতি আরও মেধাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির আহ্বান জানিয়ে।</p>
<p data-path-to-node="11">আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন, ২০১৮ সালে প্রাথমিক ছাত্র বিক্ষোভের ফলে কোটা ব্যবস্থা বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু হাসিনা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সেই বিতর্কিত কোটা ব্যবস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনার জন্য দেশের বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আর ঘরে বসে থাকতে রাজি ছিল না। তারা মেধার মূল্যায়ন চেয়ে রাজপথে নেমে আসে।</p>
<p data-path-to-node="12">কিন্তু সরকার কি তাদের কথা শুনেছিল? উল্টো কয়েক মাস ধরে চলা এই বিক্ষোভের ওপর নেমে আসে চরম দমন-পীড়ন ও সহিংসতা। রংপুরে আবু সাঈদের বুক চিতিয়ে গুলি খাওয়ার দৃশ্য পুরো দেশের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচারে হামলা এবং নির্মম হত্যার ঘটনা ঘটে। চোখের সামনে নিজেদের ভাই-বোনদের রক্ত ঝরতে দেখে শিক্ষার্থীরা আর থেমে থাকেনি। এই তীব্র ক্ষোভই মূলত <b data-path-to-node="12" data-index-in-node="347">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b> ত্বরান্বিত করে। হাসিনা এবং তার প্রশাসনকে বিক্ষোভকারীদের প্রধান সংগঠন, &#8216;বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন&#8217;, পদত্যাগ করার জন্য একটি চরম আল্টিমেটাম দেয়। তারা স্পষ্ট ঘোষণা করে দেয় যে, যদি সরকার পদত্যাগ না করে, তাহলে বিক্ষোভকারী এবং নাগরিক সমাজের সদস্যরা ধর্মঘট এবং আইন অমান্য সহ রাষ্ট্রের সাথে ব্যাপক অসহযোগিতা করবে।</p>
<p data-path-to-node="13">৩ আগস্ট ২০২৪, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে সাথে নিয়ে ঢাকার শহীদ মিনারের কাছে জড়ো হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করে। তারা ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ঢাকার দিকে পদযাত্রার ডাক দেয়। কিন্তু পরিস্থিতি এত দ্রুত বদলাতে শুরু করে যে, পরের দিনই বিক্ষোভকারীদের বিপুল সংখ্যক মৃত্যুর পর, তারা ৫ আগস্ট &#8220;ঢাকা অভিমুখে লং মার্চ&#8221; ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। অনেকেই তখন ভাবতে শুরু করেছিলেন, সত্যিই কি এত দ্রুত <b data-path-to-node="13" data-index-in-node="444">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b> সম্ভব?</p>
<p data-path-to-node="14">৫ আগস্ট ২০২৪-এর ভোরটা ছিল অন্যরকম। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে লাখো জনতা রাজপথে নেমে আসে। চারদিকে তখন একটাই স্লোগান, একটাই দাবি। সকাল ১০:০০ টার দিকে, প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ থেকে আসা বিক্ষোভকারীদের এক বিশাল জনসমুদ্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনের দিকে এগোতে থাকে।</p>
<p data-path-to-node="15">দাঙ্গা পুলিশ এবং আধাসামরিক বাহিনী সহ ভারী নিরাপত্তা বাহিনী তাদের অগ্রযাত্রাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু উত্তাল জনসমুদ্রের কাছে কোনো বাধাই টিকতে পারেনি। সকাল ১১:০০ টা নাগাদ, বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কাছে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রবল বেগে প্রবেশ করে। নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে, তাজা গুলি ব্যবহারের খবর আসতে থাকে এবং উভয় পক্ষেরই হতাহতের ঘটনা ঘটে।</p>
<p data-path-to-node="16">দুপুর ১২:৩০ নাগাদ সেই ঐতিহাসিক খবরটি আসে—বিক্ষোভকারীরা গণভবনের গেটগুলো সফলভাবে ভেঙে ফেলেছে এবং জোর করে ভেতরে ঢুকে পড়েছে! যদিও প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে হাসিনাকে ইতিমধ্যেই প্রাঙ্গণের মধ্যে একটি &#8220;নিরাপদ স্থানে&#8221; নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুপুর ২:০০ টা নাগাদ, উত্তেজিত জনতা জাতীয় সংসদেও প্রবেশ করে। চারদিকে তখন উৎসবের আমেজ, নিশ্চিত হয়ে যায় যে <b data-path-to-node="16" data-index-in-node="346">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b> শুধু সময়ের ব্যাপার।</p>
<p data-path-to-node="17">অবশেষে সব অপেক্ষার অবসান ঘটে। বিকাল ৩:০০ টায় (বাংলাদেশ সময়) জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকের-উজ-জামান আনুষ্ঠানিকভাবে <b data-path-to-node="17" data-index-in-node="141">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b> এবং তার স্ব-নির্বাসনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। একটি ১৫ বছরের শক্তিশালী কাঠামোর এমন নাটকীয় পতন পুরো বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছিল।</p>
<p data-path-to-node="18">যখনই পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ে, তখনই সবার মনে কৌতূহল জাগে দেশ ছেড়ে তিনি কোথায় গেলেন। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে খবর খোঁজার পাশাপাশি অনেকেই ইন্টারনেটে সার্চ করতে শুরু করেন, <b data-path-to-node="18" data-index-in-node="165">where is sheikh hasina now in india</b>?</p>
<p data-path-to-node="19">জানা যায়, তীব্র গণরোষের মুখে <b data-path-to-node="19" data-index-in-node="30">হাসিনা</b> বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০ পরিবহন বিমানে করে তড়িঘড়ি করে দেশ ছাড়েন। তিনি ভারতের গাজিয়াবাদের হিন্দান বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেন, যেখানে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। অনেকের মনেই প্রশ্ন, তিনি কি <b data-path-to-node="19" data-index-in-node="310">hasina indian</b> সরকারের রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন নাকি অন্য কোনো দেশে পাড়ি জমাবেন? ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ভারতীয় সংসদে জানিয়েছিলেন যে, &#8220;খুব অল্প সময়ের নোটিশে, তিনি [শেখ হাসিনা] এই মুহূর্তে ভারতে আসার অনুমতি চেয়েছেন&#8221;। তাই যদি কেউ আপনাকে আজ জিজ্ঞেস করে <b data-path-to-node="19" data-index-in-node="572">শেখ হাসিনা এখন কোথায় আছে</b>, তবে সর্বশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী তিনি ভারতেই অবস্থান করছেন।</p>
<p data-path-to-node="20"><a href="https://www.google.com/search?sca_esv=7e2d791937a95abc&amp;sxsrf=ANbL-n7CbpPCxhCWJDwWPhyg45wRQf9GOw:1773540668454&amp;q=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96+%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE+%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0+%E0%A6%AA%E0%A6%A4%E0%A6%A8&amp;source=" target="_blank" rel="noopener"><b data-path-to-node="20" data-index-in-node="0">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b> </a>কেবল একটি রাজনৈতিক দলের বিদায় ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির বুক ভরে নতুন করে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ। অনেকেই এই পদত্যাগকে প্রতিবাদ আন্দোলনের এক বিশাল বিজয় হিসেবে দেখেছেন এবং দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বাঁধভাঙা উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছিল।</p>
<p data-path-to-node="21">ক্ষমতার এই আকস্মিক হস্তান্তর পরিচালনা এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। এর আগেই ৬ আগস্ট পূর্ববর্তী সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী প্রতিবাদী নেতৃত্ব সহ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও নাগরিক গোষ্ঠীগুলির পারস্পরিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই প্রশাসনের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।</p>
<p data-path-to-node="22">তবে <b data-path-to-node="22" data-index-in-node="4">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b> এর পরপরই দেশে আইনশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পদত্যাগের পর কিছু জায়গায় সহিংসতা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে হামলার খবর পাওয়া যায়, যার ফলে জাতিসংঘ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং নাগরিক সমাজের গোষ্ঠীগুলোও নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং বিচার ব্যবস্থায় পরিবর্তন সহ পদ্ধতিগত সংস্কারের দাবিতে রাজপথে তাদের সক্রিয়তা বজায় রাখে।</p>
<p data-path-to-node="23"><b data-path-to-node="23" data-index-in-node="0">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b> এর কয়েক মাস পর, ২০২৪ সালের অক্টোবরে দেশের রাজনীতিতে নতুন করে একটি বড় বিতর্ক দানা বাঁধে। মানব জমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীর সাথে এক কথোপকথনের সময়, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন একটি চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমি অনেকবার [পদত্যাগপত্র সংগ্রহ করার] চেষ্টা করেছি কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে। হয়তো তিনি সময় পাননি&#8230; একদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদত্যাগপত্রের কপি সংগ্রহ করতে আসেন। আমি তাকে বলেছিলাম যে আমিও এটি খুঁজছি।”</p>
<p data-path-to-node="24">এই মন্তব্যটি দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, পদত্যাগপত্র যদি না-ই থাকে, তবে আইনিভাবে কি <b data-path-to-node="24" data-index-in-node="101">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b> সম্পূর্ণ হয়েছে? এই মন্তব্যের পরপরই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, &#8220;রাষ্ট্রপতির বক্তব্য যে তিনি শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র পাননি তা মিথ্যা এবং এটি তার শপথের লঙ্ঘন।&#8221; প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীরও সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টার মতামতের সাথে একমত পোষণ করেন।</p>
<p data-path-to-node="25">অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে স্পষ্ট করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির কাছে মৌখিকভাবে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছিলেন। গণভবনের কাছে বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি তাকে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল বলেই আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।</p>
<p data-path-to-node="26">ছাত্রনেতারাও এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়কারী সরজিস আলম বলেন, &#8220;রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের মতো একজন ব্যক্তি যদি বলেন যে শেখ হাসিনার পদত্যাগের নথি তার কাছে নেই, তাহলে তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা ছাত্রসমাজের ওপর নির্ভর করবে।&#8221; আরেক সমন্বয়কারী হাসনাত আবদুল্লাহ সোশ্যাল মিডিয়ায় আওয়ামী লীগের বিচার এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবি তোলেন। জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীও স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে এই ফ্যাসিবাদী শাসনের কোনো উপাদানকে তারা টিকতে দেবেন না।</p>
<p data-path-to-node="27">সব মিলিয়ে এটা স্পষ্ট যে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে <b data-path-to-node="27" data-index-in-node="63">শেখ হাসিনা সরকারের পতন</b> নিশ্চিত হয়েছে, সেখানে কাগজের কোনো নথিপত্রের চেয়ে কোটি মানুষের রাজপথের রায়ই আজ সবচেয়ে বড় আইনি ও নৈতিক ভিত্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।</p>
<hr data-path-to-node="28" />
<p data-path-to-node="29"><b data-path-to-node="29" data-index-in-node="0">এখন আপনার পালা!</b> চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এই বিশাল ঐতিহাসিক পরিবর্তন নিয়ে আপনাদের অনুভূতি কী? নতুন বাংলাদেশের কাছে আপনার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা কী? নিচে কমেন্ট করে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন! আর হ্যাঁ, এরকম আরও বিশ্লেষণধর্মী ও সত্য ঘটনা সবার আগে জানতে এই আর্টিকেলটি এখনই আপনার বন্ধুদের সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে দিন!</p>
]]></content:encoded>
					
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক সি আর আবরার</title>
		<link>https://khobor365.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://khobor365.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[খবর ৩৬৫ স্টাফ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 Mar 2025 05:46:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[অন্তর্বর্তীকালীন]]></category>
		<category><![CDATA[অন্তর্বর্তীকালীন সরকার]]></category>
		<category><![CDATA[উপদেষ্টা]]></category>
		<category><![CDATA[নতুন উপদেষ্টা]]></category>
		<category><![CDATA[নাহিদ পদত্যাগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://khobor365.com/?p=3738</guid>

					<description><![CDATA[শিক্ষাখাতে কি নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে? অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক সি আর আবরার। তার দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষানীতিতে কী পরিবর্তন আসতে পারে? বিস্তারিত প্রতিবেদন: অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সি আর আবরার। বুধবার (৫ মার্চ) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান। এর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p data-start="80" data-end="266">শিক্ষাখাতে কি নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে? অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক সি আর আবরার। তার দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষানীতিতে কী পরিবর্তন আসতে পারে?</p>
<h3 data-start="268" data-end="298"><strong data-start="272" data-end="296">বিস্তারিত প্রতিবেদন:</strong></h3>
<p data-start="299" data-end="483">অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক <strong data-start="383" data-end="398">সি আর আবরার</strong>। বুধবার (৫ মার্চ) বঙ্গভবনে <strong data-start="426" data-end="456">রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন</strong> তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান।</p>
<p data-start="485" data-end="767">এর আগে মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাজধানীর হেয়ার রোডে <strong data-start="531" data-end="557">ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে</strong> অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, <strong data-start="651" data-end="765">“অধ্যাপক সি আর আবরারকে নতুন উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে এবং তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন।”</strong></p>
<h3 data-start="769" data-end="808"><strong data-start="773" data-end="806">নতুন উপদেষ্টা পরিষদে পরিবর্তন</strong></h3>
<p data-start="809" data-end="1090">অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে <strong data-start="845" data-end="871">এটি আরেকটি বড় পরিবর্তন</strong>। গত <strong data-start="876" data-end="933">২৫ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ</strong> করলে এ পদটি শূন্য হয়ে যায়। এরপর <strong data-start="966" data-end="1022">তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মাহফুজ আলম</strong>। এবার <strong data-start="1029" data-end="1087">শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন অধ্যাপক আবরার</strong>।</p>
<h3 data-start="1092" data-end="1141"><strong data-start="1096" data-end="1139">অধ্যাপক সি আর আবরারের অভিজ্ঞতা ও ভূমিকা</strong></h3>
<p data-start="1142" data-end="1433">শিক্ষানীতি ও গবেষণায় দীর্ঘদিন কাজ করা অধ্যাপক সি আর আবরারকে দায়িত্ব প্রদান করায় শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে <strong data-start="1296" data-end="1430">শিক্ষাখাতে সংস্কার, নতুন শিক্ষাক্রমের উন্নয়ন, উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে তিনি কী উদ্যোগ নেন, সেটি এখন সবার নজরে</strong>।</p>
<h3 data-start="1435" data-end="1485"><strong data-start="1439" data-end="1483">অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন ও বর্তমান অবস্থা</strong></h3>
<p data-start="1486" data-end="1735">প্রসঙ্গত, <strong data-start="1496" data-end="1570">গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে</strong>। এরপর <strong data-start="1577" data-end="1657">৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়</strong>। এরপর থেকে <strong data-start="1669" data-end="1732">সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন আনা হচ্ছে</strong>।</p>
<h3 data-start="1737" data-end="1764"><strong data-start="1741" data-end="1762">পরবর্তী করণীয় কী?</strong></h3>
<p data-start="1765" data-end="1935"><strong data-start="1765" data-end="1834">শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আপনার মতামত কী?</strong> নতুন উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষাক্ষেত্রে কী পরিবর্তন দেখতে চান? <strong data-start="1907" data-end="1933">নিচে কমেন্ট করে জানান!</strong></p>
<p data-start="1937" data-end="2005">📌 <strong data-start="1940" data-end="2003">শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার দরকার বলে মনে করেন? আপনার মতামত দিন!</strong></p>
<p><a href="https://khobor365.com/"><span style="font-weight: 400;">https://khobor365.com/</span></a></p>
<p><span style="font-weight: 400;">খবর ৩৬৫ দিন, স্টাফ রিপোর্ট</span></p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://khobor365.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
