বিশ্বাস্য ইতিহাস: ছাত্র-জনতার তোপের মুখে কীভাবে ঘটলো শেখ হাসিনা সরকারের পতন?
আপনারা কি কখনো ভেবেছিলেন যে নিজের চোখের সামনে এত বড় একটি ইতিহাস তৈরি হতে দেখবেন? একটি সাধারণ সকাল কীভাবে একটি দেশের পুরো রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে পারে, তা কি কেউ কল্পনা করতে পেরেছিল? ৫ আগস্ট, ২০২৪—এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন একটি দিন হিসেবে খোদাই হয়ে থাকবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অবাক হয়ে গল্পের মতো শুনবে।
দীর্ঘ ১৫ বছরের একটানা শাসনের পর অবশেষে অবিশ্বাস্যভাবে শেখ হাসিনা সরকারের পতন কীভাবে ঘটলো, তা নিয়ে আমাদের আজকের এই বিস্তারিত আয়োজন। এত শক্তিশালী একটি শাসনব্যবস্থা কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়লো? চলুন, একদম শুরু থেকে এই মহাকাব্যিক যাত্রার প্রতিটি মুহূর্তের সাক্ষী হই।
ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার প্রথম মেয়াদ শুরু হয়েছিল ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন। সেবার তার দল আওয়ামী লীগ সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্থলাভিষিক্ত হয়ে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই মেয়াদকাল ২০০১ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এরপর ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে এক বিশাল জয়ের পর তিনি ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসেন।
এরপর থেকে শুরু হয় এক টানা শাসন। ২০১৪, ২০১৮ এবং সবশেষ ২০২৪ সালে তিনি পুনরায় নির্বাচিত হন। কিন্তু এই নির্বাচনগুলো কি সাধারণ মানুষের কাছে আদৌ গ্রহণযোগ্য ছিল? একদমই নয়। এই নির্বাচনগুলো স্বচ্ছতার চরম অভাবের জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছিল। বিরোধী দলগুলো এগুলোকে বারবার বয়কট করেছিল এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরাও ভোট কারচুপি ও ভোটার দমনের গুরুতর অভিযোগ এনেছিল। এমনকি তার সরকারের বিরুদ্ধে দেশের বিচার বিভাগ এবং বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপের মতো মারাত্মক অভিযোগও আনা হয়েছিল। মানুষের মনে বছরের পর বছর ধরে জমতে থাকা এই ক্ষোভ একদিন যে আগ্নেয়গিরির মতো বিস্ফোরিত হয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ডেকে আনবে, তা হয়তো ক্ষমতাসীনেরা আঁচ করতে পারেননি।
২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে এসে সরকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণের কারণে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে পড়ে যায়। আর এই জাতীয় অসন্তোষের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন’। ছাত্র এবং নাগরিক সমাজ রাস্তায় নেমে আসে রাজনৈতিক সংস্কার এবং দেশের কোটা ব্যবস্থার প্রতি আরও মেধাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গির আহ্বান জানিয়ে।
আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন, ২০১৮ সালে প্রাথমিক ছাত্র বিক্ষোভের ফলে কোটা ব্যবস্থা বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু হাসিনা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সেই বিতর্কিত কোটা ব্যবস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনার জন্য দেশের বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আর ঘরে বসে থাকতে রাজি ছিল না। তারা মেধার মূল্যায়ন চেয়ে রাজপথে নেমে আসে।
কিন্তু সরকার কি তাদের কথা শুনেছিল? উল্টো কয়েক মাস ধরে চলা এই বিক্ষোভের ওপর নেমে আসে চরম দমন-পীড়ন ও সহিংসতা। রংপুরে আবু সাঈদের বুক চিতিয়ে গুলি খাওয়ার দৃশ্য পুরো দেশের বিবেককে নাড়িয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীদের ওপর নির্বিচারে হামলা এবং নির্মম হত্যার ঘটনা ঘটে। চোখের সামনে নিজেদের ভাই-বোনদের রক্ত ঝরতে দেখে শিক্ষার্থীরা আর থেমে থাকেনি। এই তীব্র ক্ষোভই মূলত শেখ হাসিনা সরকারের পতন ত্বরান্বিত করে। হাসিনা এবং তার প্রশাসনকে বিক্ষোভকারীদের প্রধান সংগঠন, ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন’, পদত্যাগ করার জন্য একটি চরম আল্টিমেটাম দেয়। তারা স্পষ্ট ঘোষণা করে দেয় যে, যদি সরকার পদত্যাগ না করে, তাহলে বিক্ষোভকারী এবং নাগরিক সমাজের সদস্যরা ধর্মঘট এবং আইন অমান্য সহ রাষ্ট্রের সাথে ব্যাপক অসহযোগিতা করবে।
৩ আগস্ট ২০২৪, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে সাথে নিয়ে ঢাকার শহীদ মিনারের কাছে জড়ো হয় এবং প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করে। তারা ৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ঢাকার দিকে পদযাত্রার ডাক দেয়। কিন্তু পরিস্থিতি এত দ্রুত বদলাতে শুরু করে যে, পরের দিনই বিক্ষোভকারীদের বিপুল সংখ্যক মৃত্যুর পর, তারা ৫ আগস্ট “ঢাকা অভিমুখে লং মার্চ” ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। অনেকেই তখন ভাবতে শুরু করেছিলেন, সত্যিই কি এত দ্রুত শেখ হাসিনা সরকারের পতন সম্ভব?
৫ আগস্ট ২০২৪-এর ভোরটা ছিল অন্যরকম। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে লাখো জনতা রাজপথে নেমে আসে। চারদিকে তখন একটাই স্লোগান, একটাই দাবি। সকাল ১০:০০ টার দিকে, প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ থেকে আসা বিক্ষোভকারীদের এক বিশাল জনসমুদ্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাতীয় সংসদ এবং প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনের দিকে এগোতে থাকে।
দাঙ্গা পুলিশ এবং আধাসামরিক বাহিনী সহ ভারী নিরাপত্তা বাহিনী তাদের অগ্রযাত্রাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু উত্তাল জনসমুদ্রের কাছে কোনো বাধাই টিকতে পারেনি। সকাল ১১:০০ টা নাগাদ, বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কাছে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রবল বেগে প্রবেশ করে। নিরাপত্তা বাহিনী এবং বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে, তাজা গুলি ব্যবহারের খবর আসতে থাকে এবং উভয় পক্ষেরই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
দুপুর ১২:৩০ নাগাদ সেই ঐতিহাসিক খবরটি আসে—বিক্ষোভকারীরা গণভবনের গেটগুলো সফলভাবে ভেঙে ফেলেছে এবং জোর করে ভেতরে ঢুকে পড়েছে! যদিও প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে হাসিনাকে ইতিমধ্যেই প্রাঙ্গণের মধ্যে একটি “নিরাপদ স্থানে” নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুপুর ২:০০ টা নাগাদ, উত্তেজিত জনতা জাতীয় সংসদেও প্রবেশ করে। চারদিকে তখন উৎসবের আমেজ, নিশ্চিত হয়ে যায় যে শেখ হাসিনা সরকারের পতন শুধু সময়ের ব্যাপার।
অবশেষে সব অপেক্ষার অবসান ঘটে। বিকাল ৩:০০ টায় (বাংলাদেশ সময়) জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকের-উজ-জামান আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং তার স্ব-নির্বাসনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। একটি ১৫ বছরের শক্তিশালী কাঠামোর এমন নাটকীয় পতন পুরো বিশ্বকে হতবাক করে দিয়েছিল।
যখনই পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ে, তখনই সবার মনে কৌতূহল জাগে দেশ ছেড়ে তিনি কোথায় গেলেন। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে খবর খোঁজার পাশাপাশি অনেকেই ইন্টারনেটে সার্চ করতে শুরু করেন, where is sheikh hasina now in india?
জানা যায়, তীব্র গণরোষের মুখে হাসিনা বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সি-১৩০ পরিবহন বিমানে করে তড়িঘড়ি করে দেশ ছাড়েন। তিনি ভারতের গাজিয়াবাদের হিন্দান বিমান ঘাঁটিতে অবতরণ করেন, যেখানে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। অনেকের মনেই প্রশ্ন, তিনি কি hasina indian সরকারের রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন নাকি অন্য কোনো দেশে পাড়ি জমাবেন? ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ভারতীয় সংসদে জানিয়েছিলেন যে, “খুব অল্প সময়ের নোটিশে, তিনি [শেখ হাসিনা] এই মুহূর্তে ভারতে আসার অনুমতি চেয়েছেন”। তাই যদি কেউ আপনাকে আজ জিজ্ঞেস করে শেখ হাসিনা এখন কোথায় আছে, তবে সর্বশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী তিনি ভারতেই অবস্থান করছেন।
শেখ হাসিনা সরকারের পতন কেবল একটি রাজনৈতিক দলের বিদায় ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির বুক ভরে নতুন করে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ। অনেকেই এই পদত্যাগকে প্রতিবাদ আন্দোলনের এক বিশাল বিজয় হিসেবে দেখেছেন এবং দেশজুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বাঁধভাঙা উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছিল।
ক্ষমতার এই আকস্মিক হস্তান্তর পরিচালনা এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়। এর আগেই ৬ আগস্ট পূর্ববর্তী সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী প্রতিবাদী নেতৃত্ব সহ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও নাগরিক গোষ্ঠীগুলির পারস্পরিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই প্রশাসনের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
তবে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এর পরপরই দেশে আইনশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পদত্যাগের পর কিছু জায়গায় সহিংসতা এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে হামলার খবর পাওয়া যায়, যার ফলে জাতিসংঘ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং নাগরিক সমাজের গোষ্ঠীগুলোও নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং বিচার ব্যবস্থায় পরিবর্তন সহ পদ্ধতিগত সংস্কারের দাবিতে রাজপথে তাদের সক্রিয়তা বজায় রাখে।
শেখ হাসিনা সরকারের পতন এর কয়েক মাস পর, ২০২৪ সালের অক্টোবরে দেশের রাজনীতিতে নতুন করে একটি বড় বিতর্ক দানা বাঁধে। মানব জমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীর সাথে এক কথোপকথনের সময়, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন একটি চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “আমি অনেকবার [পদত্যাগপত্র সংগ্রহ করার] চেষ্টা করেছি কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে। হয়তো তিনি সময় পাননি… একদিন মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদত্যাগপত্রের কপি সংগ্রহ করতে আসেন। আমি তাকে বলেছিলাম যে আমিও এটি খুঁজছি।”
এই মন্তব্যটি দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, পদত্যাগপত্র যদি না-ই থাকে, তবে আইনিভাবে কি শেখ হাসিনা সরকারের পতন সম্পূর্ণ হয়েছে? এই মন্তব্যের পরপরই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, “রাষ্ট্রপতির বক্তব্য যে তিনি শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র পাননি তা মিথ্যা এবং এটি তার শপথের লঙ্ঘন।” প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীরও সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টার মতামতের সাথে একমত পোষণ করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে স্পষ্ট করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রপতির কাছে মৌখিকভাবে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছিলেন। গণভবনের কাছে বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি তাকে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল বলেই আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
ছাত্রনেতারাও এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানান। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়কারী সরজিস আলম বলেন, “রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিনের মতো একজন ব্যক্তি যদি বলেন যে শেখ হাসিনার পদত্যাগের নথি তার কাছে নেই, তাহলে তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা ছাত্রসমাজের ওপর নির্ভর করবে।” আরেক সমন্বয়কারী হাসনাত আবদুল্লাহ সোশ্যাল মিডিয়ায় আওয়ামী লীগের বিচার এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবি তোলেন। জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীও স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে এই ফ্যাসিবাদী শাসনের কোনো উপাদানকে তারা টিকতে দেবেন না।
সব মিলিয়ে এটা স্পষ্ট যে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে যে শেখ হাসিনা সরকারের পতন নিশ্চিত হয়েছে, সেখানে কাগজের কোনো নথিপত্রের চেয়ে কোটি মানুষের রাজপথের রায়ই আজ সবচেয়ে বড় আইনি ও নৈতিক ভিত্তি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
এখন আপনার পালা! চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এই বিশাল ঐতিহাসিক পরিবর্তন নিয়ে আপনাদের অনুভূতি কী? নতুন বাংলাদেশের কাছে আপনার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা কী? নিচে কমেন্ট করে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন! আর হ্যাঁ, এরকম আরও বিশ্লেষণধর্মী ও সত্য ঘটনা সবার আগে জানতে এই আর্টিকেলটি এখনই আপনার বন্ধুদের সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে দিন!


