আপনার সিভি যদি মাত্র ১০ সেকেন্ডে নিয়োগকর্তার চোখে পড়ে, সেটি কি আপনার ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারবে?
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে শুধু ডিগ্রি থাকলেই হয় না, দরকার একটি নিখুঁত ও আকর্ষণীয় সিভি। আপনি যদি বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করে চাকরির দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেন, তবে সিভি (CV) হতে পারে আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
প্রথমেই, সিভির শুরুতেই নিজের নাম, ফোন নম্বর, ইমেইল ও হালনাগাদ লিংকডইন প্রোফাইল দিন। ছবি থাকলে তা যেন পরিষ্কার ও প্রফেশনাল হয়।
এরপর আসে ব্যক্তিগত প্রোফাইল – যেখানে সংক্ষেপে লিখুন আপনি কে, কী চান, এবং আপনি কীভাবে প্রতিষ্ঠানকে সাহায্য করতে পারেন। দুই-তিন লাইনের বেশি নয়!
অভিজ্ঞতা ও শিক্ষা:
যে কোন ইন্টার্নশিপ, চাকরি বা ভলান্টিয়ার কাজ থাকলে, সেগুলোর সময়কাল ও দায়িত্ব উল্লেখ করুন। শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে সর্বশেষ ডিগ্রি থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পর্যন্ত লিখুন। পাসের সাল ও ফলাফল যুক্ত করা বাধ্যতামূলক।
দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ:
মাইক্রোসফট অফিস, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং বা যে কোনো স্কিল থাকলে তা উল্লেখ করুন। কোনো ট্রেনিং বা ওয়ার্কশপে অংশ নিলে সেটির বিষয়, তারিখ ও স্থানও লিখে দিন।
ভাষা দক্ষতা ও শখ:
যে কোনো ভাষার উপর প্রমাণসহ দক্ষতা লিখুন। শখ লিখবেন বাস্তবভিত্তিক—যেমন, টিমওয়ার্ক, ব্লগ লেখা, পাবলিক স্পিকিং।
রেফারেন্স:
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক বা পূর্বতন বসের নাম, পদবি ও যোগাযোগ দিন—তবে অনুমতি নিয়ে।
বিশেষ টিপস:
• বানান ভুল করবেন না
• সর্বোচ্চ ২ পেজে সিভি রাখার চেষ্টা করুন
• ফন্ট টাইমস নিউ রোমান বা অ্যারিয়াল, সাইজ ১১–১২
• কালো রঙে প্রিন্ট ও স্পেসিং ঝকঝকে হতে হবে
তাই আর দেরি নয়! এখনই আপনার সিভি আপডেট করুন, কারণ একটি সঠিক সিভিই হতে পারে আপনার সাফল্যের চাবিকাঠি!
খবর ৩৬৫ দিন, স্টাফ রিপোর্ট