ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়

মার্চ ২৮, ২০২৬ | জাতীয়

অবিশ্বাস্য অর্জন ও আবেগঘন মুহূর্ত! যুগান্তকারী ১৮ মাস পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায়

আপনার কি এখনো মনে আছে ২০২৪ সালের সেই উত্তাল আগস্টের দিনগুলোর কথা? যখন স্বৈরাচারের গুলিতে রাজপথ ভেসে যাচ্ছিল আমাদের ভাই-বোনদের তাজা রক্তে? সেই ধ্বংসস্তূপ আর চরম অরাজকতার মাঝে এক বুক আশা নিয়ে দেশের হাল ধরেছিলেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ ১৮ মাস পর, ২০২৬ সালের এই ফেব্রুয়ারিতে এসে দেশের চিত্র কতটা বদলেছে? ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক দুয়ারে দাঁড়িয়ে যখন আমরা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় নিয়ে কথা বলছি, তখন আমাদের মনে একইসাথে কাজ করছে প্রাপ্তির আনন্দ এবং কিছু না-পাওয়ার হতাশা। চলুন, একেবারে বন্ধুর মতো খোলাখুলি আলোচনা করি কেমন কাটলো আমাদের গত দেড়টি বছর।

দায়িত্ব নেয়ার প্রথম দিনগুলোতে দেশের অবস্থা একবার কল্পনা করুন! রাস্তায় কোনো ট্রাফিক পুলিশ নেই, থানাগুলো পুড়ে ছাই, আর ব্যাংকগুলোতে তীব্র তারল্য সংকট। ঠিক সেই সময়টায় একটি ধসে পড়া রাষ্ট্রযন্ত্রকে সচল করা মোটেও সহজ কাজ ছিল না। সেনাবাহিনী ও পুনর্গঠিত পুলিশ বাহিনীর সহায়তায় সরকার দ্রুতই জনজীবনে এক ধরনের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনে।

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। আর সেই প্রত্যাশার চাপ মাথায় নিয়েই শুরু হয় রাষ্ট্র সংস্কারের মহাযজ্ঞ। নির্বাচন কমিশন, পুলিশ, জনপ্রশাসন এবং বিচার বিভাগকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করতে গঠিত হয় ১০টি বড় সংস্কার কমিশন। এই কমিশনগুলোর মূল লক্ষ্যই ছিল, ভবিষ্যতে যাতে দেশে আর কোনো স্বৈরাচার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় বেলা ঘনিয়ে আসতেই আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই কমিশনগুলোর প্রস্তাবনাগুলোই আগামী দিনের “নতুন বাংলাদেশ” গড়ার মূল ভিত্তি হতে যাচ্ছে।

সবচেয়ে বড় ম্যাজিকটা কিন্তু ঘটেছে আমাদের অর্থনীতিতে! অনেকেই ভাবছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় এর পর অর্থনীতির এই চাকা এমন সচল থাকবে তো? এই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাতকে আইসিইউ থেকে ফিরিয়ে আনা। দুর্বল ও লুটের শিকার ৫টি ব্যাংককে সবল ব্যাংকের সাথে একীভূত করা হয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের কথা মনে আছে? ২০২৪ সালের আগস্টে যা নেমেছিল ১৩-১৪ বিলিয়ন ডলারে, ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী তা আজ ৩৪.০৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে! রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রতি মাসে আড়াই থেকে তিন বিলিয়ন ডলারে স্থির হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ড. ইউনূসের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও এডিবি থেকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা আনা সম্ভব হয়েছে। এটা কি চাট্টিখানি কথা!

যে শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এই সরকার, তাদের কি ভুলে যাওয়া সম্ভব? কখনোই না। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় লগ্নে এসে এই বিচার প্রক্রিয়া আমাদের দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) এক যুগান্তকারী রায়ে জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।

শুধু তাই নয়, ‘আয়নাঘর’-এর মতো ভয়ংকর গোপন বন্দিশালার সাথে জড়িত শীর্ষ পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আইনের আওতা আনা হয়েছে। শহীদ ও আহতদের পরিবারের সহায়তার জন্য গঠিত হয়েছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’। ইতোমধ্যে ২৭০০-এর বেশি পরিবারকে ৫৩ কোটি টাকার বেশি আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে। আর সবচেয়ে আবেগঘন ব্যাপার হলো, স্বৈরাচারের প্রতীক ‘গণভবন’ আজ পরিণত হয়েছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’-এ। গত ১৬ বছরের গুম, খুন আর দুর্নীতির ইতিহাস সেখানে সংরক্ষণ করা হয়েছে আগামী প্রজন্মের জন্য।

সব কি শুধুই অর্জনের গল্প? না, কিছু চরম আক্ষেপের জায়গাও রয়েছে। ব্যর্থতার এই দিকগুলো ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় মুহূর্তে একটি বড় আক্ষেপ হয়ে থাকবে। বিগত দেড় বছরে সরকার সবচেয়ে বেশি হিমশিম খেয়েছে ‘মব ভায়োলেন্স’ বা বিচারবহির্ভূত গণপিটুনি দমনে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা, জাহাঙ্গীরনগরে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লাকে হত্যা, কিংবা চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনাগুলো আমাদের বিবেকে চরম আঘাত করেছে। মানবাধিকার সংস্থার মতে, এই ১৮ মাসে মব জাস্টিসে অন্তত ২৯৩ জন মানুষের প্রাণ গেছে।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন মাজার ও দরগাহে উগ্রবাদীদের হামলা ছিল চোখে পড়ার মতো। সিরাজগঞ্জে এক পীরের লাশ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে দেয়ার মতো বীভৎস ঘটনাও ঘটেছে। এর পাশাপাশি প্রায় ২ হাজারেরও বেশি সড়ক অবরোধের ঘটনা সাধারণ মানুষের জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। পুলিশ বাহিনীর ধীরগতির পুনর্গঠনই মূলত এই অরাজকতার বড় কারণ বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

একটি গণতান্ত্রিক দেশের প্রাণ হলো স্বাধীন গণমাধ্যম। এই সরকার বিতর্কিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করে সাংবাদিকদের হয়রানিমূলক মামলার হাত থেকে বাঁচিয়েছে। ইন্টারনেটকে এখন ‘মৌলিক অধিকার’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

শিক্ষা খাতেও এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বিতর্কিত ‘নতুন শিক্ষাক্রম ২০২৩’ বাতিল করে বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হয়েছে। ‘সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ’-এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্বায়ত্তশাসন এবং একক ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।

পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও এসেছে এক দারুণ ভারসাম্য। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ৬০০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি থেকে শুরু করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তা—সবখানেই ছিল সফলতার ছাপ। জাতিসংঘে দাঁড়িয়ে ড. ইউনূস স্পষ্ট জানিয়েছেন, “বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব এখন আর দাতা-গ্রহীতার নয়, বরং তা হবে সমমর্যাদার।”

আমরা এখন দাঁড়িয়ে আছি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো বহু কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সবার মনে একটাই চাওয়া—ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় যেন নিছক একটি ক্ষমতার পালাবদল না হয়, বরং এটি যেন হয় একটি সুশৃঙ্খল ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্থায়ী সূচনা।

ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ‘জুলাই সনদ’ আজ আমাদের একটি সামাজিক চুক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই ১৮ মাসে সরকার আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে ধ্বংসস্তূপ থেকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। কীভাবে রিজার্ভ বাড়াতে হয়, কীভাবে বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হয়।

সত্যিই, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় আমাদের জন্য একটি মিশ্র অনুভূতির মুহূর্ত। একদিকে একজন বিশ্ববরেণ্য নেতার প্রশাসনিক অধ্যায়ের সমাপ্তি, অন্যদিকে জনগণের নির্বাচিত নতুন সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের রোমাঞ্চ। আগামী দিনগুলোতে যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন, এই দেড় বছরের সংস্কার কাজগুলো যদি তারা ধরে রাখতে পারে, তবে আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ সত্যিই একদিন পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।


এখন আপনার করণীয় কী?

এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে আপনার সচেতনতাই সবচেয়ে বেশি জরুরি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিদায় লগ্নে আপনার মূল্যায়ন কী? এই ১৮ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কোন কাজটি আপনার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে এবং কোন ব্যর্থতাটি আপনাকে সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছে?

১. নিচে কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন। ২. নতুন সরকারের কাছে আপনার ৩টি প্রধান চাওয়া কী কী তা আমাদের জানান। ৩. দেশের এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের গল্পগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আজকের এই আর্টিকেলটি এখনই আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন!

আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই যাত্রায় সামিল হই!

নামাজের সময়সূচী

Last Time of Sehri: ৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ
Iftar Start at: ৬:১৪ অপরাহ্ণ
  • ফজর
  • যুহর
  • আসর
  • মাগরিব
  • ইশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৪৫ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৮ অপরাহ্ণ
  • ৪:২৮ অপরাহ্ণ
  • ৬:১৪ অপরাহ্ণ
  • ৭:২৮ অপরাহ্ণ
  • ৫:৫৮ পূর্বাহ্ণ

আজকের তারিখ

  • শনিবার (বিকাল ৪:৩৮)
  • ২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • ৯ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
  • ১৪ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)

Trending Posts

২০২৬ জাতীয় নির্বাচন: দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির বিপুল বিজয় ও সরকার গঠন

২০২৬ জাতীয় নির্বাচন: নতুন বাংলাদেশের এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের বিস্তারিত আপনারা কি কখনো ভেবেছিলেন যে নিজের চোখের সামনে এক অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে যেতে দেখবেন? ২০২৪ সালের সেই উত্তাল আগস্টের পর থেকে এদেশের মানুষ যে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটের অপেক্ষায় ছিল, তার...

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ: যে বীরত্বগাঁথা বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস লিখেছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ: আমাদের জাতীয় বীরদের রক্তে কেনা নতুন এক ভোর আপনি কি কখনও ভেবেছিলেন, একুশ শতকের বাংলাদেশে আমরা আবার একাত্তরের মতো বীরত্বের সাক্ষী হবো? নিজের বুক পেতে দেওয়া আবু সাঈদ কিংবা "পানি লাগবে কারো?" বলে হাসিমুখে শহীদ হওয়া মুগ্ধর কথা মনে পড়লে...

শেখ হাসিনা সরকারের পতন: টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসানের পেছনে সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ কতটা দায়ী ছিল?

বিশ্বাস্য ইতিহাস: ছাত্র-জনতার তোপের মুখে কীভাবে ঘটলো শেখ হাসিনা সরকারের পতন? আপনারা কি কখনো ভেবেছিলেন যে নিজের চোখের সামনে এত বড় একটি ইতিহাস তৈরি হতে দেখবেন? একটি সাধারণ সকাল কীভাবে একটি দেশের পুরো রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে পারে, তা কি কেউ কল্পনা করতে পেরেছিল? ৫...

ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ও জেনারেশন জেড (Gen Z): যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার মাঝেও যেভাবে সংগঠিত হয়েছিল তরুণ প্রজন্ম

ভয়ংকর সেই দিনগুলো: ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ও জেনারেশন জেড (Gen Z) হঠাৎ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন আপনার স্মার্টফোনে কোনো সিগন্যাল নেই, ওয়াইফাই কাজ করছে না, মেসেঞ্জার বা টিকটক পুরোপুরি নিশ্চুপ! আপনার কি মনে হবে না যে আপনি এক নিমিষেই আদিম যুগে ফিরে গেছেন? আপনার বুক কি একটু...

জুলাই বিপ্লবের অজানা গল্প: ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি রিকশাচালক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের দিনলিপি

১১২ জন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু ও জুলাই বিপ্লবের অজানা গল্প: অবিশ্বাস্য ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান!  ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ১১২ জন শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে, যা আমাদের অনেকেরই অজানা। নতুন বাংলাদেশে শ্রমিক অধিকার আদায়ের এই জুলাই বিপ্লবের অজানা গল্প আপনার হৃদয়কে...

জুলাই ২০২৪-এর রক্তক্ষয়ী ইতিহাস: কোটা আন্দোলন থেকে এক দফার গণঅভ্যুত্থান

অবিশ্বাস্য কিন্তু সত্যি! জুলাই ২০২৪-এর রক্তক্ষয়ী ইতিহাস: যেভাবে একটি কোটা সংস্কার আন্দোলন এক দফার গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হলো সংক্ষিপ্ত বিবরণ: আমরা অনেকেই ৫২-এর ভাষা আন্দোলন বা ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের কথা শুধু বইয়ের পাতায় পড়েছি। কিন্তু আমাদের চোখের সামনেই ঘটে যাওয়া জুলাই...

BNP Bangladesh: প্রতিষ্ঠা থেকে বর্তমান রাজনীতির চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কৌশল।

একসময় যে দল দেশের গণতন্ত্রের প্রতীক ছিল, আজ সেই BNP Bangladesh কেন ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে? বাংলাদেশের রাজনীতিতে  Bangladesh Nationalist Party একসময় ছিল অবিসংবাদিত শক্তি—ক্ষমতায় আসা, জনগণের দাবির পক্ষে আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম—সবকিছুর...

নতুন পে স্কেল: কর্মচারীদের জন্য আশার আলো আর খরচের নতুন চ্যালেঞ্জ

আপনি কি ভাবছেন, “আমার বেতন একটু হলেও বাড়বে কি?” — নতুন পে স্কেলের ঘোষণা কি সেই স্বপ্ন সত্যি করবে? নতুন পে স্কেল: কী আসছে, কারা বড় জয় পাবেন ও কারা বাধার মুখে পড়বেন নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে কর্মচারীদের মাসিক বেতন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে—তবে বেসরকারি খাতে খরচ ও ভাতা...

নগদ আন্তঃলেনদেন: অভিযোজনহীন সময়, গ্রাহকের অবস্থা কেন সংকটজাগায়ী?

আপনি কি ভাবছেন—আপনার মোবাইল অ্যাপ থেকে শুধু “নগদ” অ্যাকাউন্টে টাকা বদল উপায় এখনো কেন পুরোপুরি নেই? নগদ আন্তঃলেনদেন: অনুমোদন, বাধা ও গ্রাহকের সুফল  অনুমোদন দেওয়া হয়েছে কি না? – বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা করেছে যে আগামি ১ নভেম্বর থেকে ব্যাংক, এমএফএস ও পেমেন্ট সার্ভিস...

সোনার দাম এখন মারাত্মক ওঠানামা: নতুন রেকর্ডের সঙ্গে এক নজরে আজকের অবস্থা

আপনি কি আজ সকাল থেকে বারবার চেক করেছেন “আজকের সোনার দাম কত?” কিন্তু এখনও ঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না? সোনার দাম: কারণ, বর্তমান মূল্য ও কীভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন আজকের সোনার দাম আপডেটে দেখা যাচ্ছে—দেশি বাজারে ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি মূল্য পুরনো রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে,...

Tags

খবর৩৬৫ এপ ডাউনলোড করুন

© ২০২৬ khobor365. All Rights Reserved.
close
Thanks !

Thanks for sharing this, you are awesome !